প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

‘ডিজিটাল আইনে ৯ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হয়রানির শিকার হবে’

শাকিল আহমেদ : নতুন ডিজিটাল আইনে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৯ কোটি গ্রাহক পুলিশের তল্লাশির নামে হয়রানির শিকার হতে পারে। তাই আইনটি বাতিল করে সকলের মতামতের ভিত্তিতে গ্রাহকবান্ধব যুগোপযোগী আইন তৈরি করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন।

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ বাতিলের দাবিতে’ বুধবার তোপখানা রোডে কমরেড নির্মল সেন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, নিরাপত্তার নামে একটি অনিরাপদ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ফলে মুক্তমনা গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরও হয়রানি বাড়বে। আমাদের দেশে ডিজিটাল প্রযুক্তির নিরাপত্তার জন্য পূর্বেও অনেক আইন ছিল। যেমন- অশ্লীল বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধকরণ আইন-১৯৬৩, পর্ণগ্রাফী নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১২, তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬। যার মধ্যে বিতর্কিত ৫৭ ধারাও ছিল। এত আইন থাকা সত্তেও এই আইনসমূহের সঠিক প্রয়োগ না থাকার কারণে প্রযুক্তির অপব্যবহার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা পুলিশকে দেয়া হয়েছে। বাদ দেয়া হয়েছে ডিজিটাল এজেন্সির অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টিও। এ আইনের ২১, ২৫, ২৮, ৩১, ৩২ ও ৪৩ ধারা স্বাধীন মতপ্রকাশের প্রতিবন্ধক। এ সকল ধারা মুক্ত চিন্তার ও মতামত প্রকাশে সহায়ক নয়।

বক্তারা বলেন, সাধারণ শ্রেণির মানুষ যারা প্রযুক্তির ব্যবহার নিজে নিজেই শিক্ষা লাভ করেছেন আজ অবধি যারা প্রযুক্তির ভালোমন্দ বুঝে উঠতে পারেন নাই তাদেরকে সচেতন ও সুশিক্ষিত না করে কারাগারে ভর্তি করার উদ্দেশ্যে এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই এ আইন বাতিল করে ডিজিটাল নিরাপত্তার স্বার্থে প্রকৃত আইন তৈরি করার দাবি জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিপিবির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত