প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

সংখ্যায় সংখ্যায় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক: সবশেষ সাক্ষাতে দেশের মাটিতে বাংলাওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান। টাইগাররা সিরিজ জিতেছিল ৩-০ ব্যবধানে। তারপরে নিজেদের অনেক বদলেছে তারা। গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতে নিয়ে এবার এশিয়া কাপে অংশ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টের ফেবারিটদের তালিকায় আছে তাদেরও নাম। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে ফাইনালে পা রাখতে হলে জিততে হবে বাংলাদেশের সঙ্গে।

অলিখিত সেমি ফাইনালে পরিণত হয়েছে ম্যাচটি। আবুধাবিতে যে জিতবে সেই ফাইনালে ভারতের সঙ্গে খেলবে। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ম্যাচটা শুরু হবে। তার আগে দেখে নেই সংখ্যায় সংখ্যায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান রেকর্ড।
দুই দল এখন পর্যন্ত ওয়ানডে খেলেছে ৩৫টি। বাংলাদেশের ৪ জয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের জয় ৩১ ম্যাচে।

৮৯৩: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবথেকে বেশি রান করেছেন মোহাম্মদ ইউসুফ। পাকিস্তানের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান ১৮ ম্যাচে করেছেন ৮৯৩ রান।
৩৮৫: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড পাকিস্তানের দখলে। ডাবুম্বলায় ২০১০ সালে ৭ উইকেটে ৩৮৫ রান করেছিল পাকিস্তান। ওদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ৩২৯। ২০১৫ সালে ঢাকায় এ রান করেছিল বাংলাদেশ।
২৩৩: রানের হিসেবে সবথেকে বড় জয়টা পাকিস্তানের দখলে। ২৩৩ রানে জয়ের রেকর্ড আছে তাদের। উইকেটের হিসেবেও সবথেকে বড় জয় পাকিস্তানের। বাংলাদেশের বিপক্ষে একবার ১০ উইকেট হাতে রেখে জিতেছিল পাকিস্তান।
১৩৬: সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি সালমান বাটের দখলে। ২০০৮ এশিয়া কাপে ১৩৬ রান করেছিলেন পাকিস্তানের বাঁহাতি ওপেনার।
৯৫: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি রান খরচ করেছেন শফিউল ইসলাম। ২০১০ সালে ১০ ওভারে ৯৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন শফিউল।

৮৭: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে দলীয় সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড বাংলাদেশের দখলে। ২০০০ সালে ঢাকায় ৮৭ রানে অল আউট হয়েছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রান ১৬১।
৩২: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবথেকে বেশি উইকেট পেয়েছেন শহীদ আফ্রিদি। ডানহাতি এ স্পিনার পেয়েছেন ৩২ উইকেট।
২১: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন শহীদ আফ্রিদি। ২১টি ম্যাচ খেলেছেন আফ্রিদি। বাংলাদেশের হয়ে মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফি সর্বোচ্চ ১৭ করে ম্যাচ খেলেছেন।
১৭: সবথেকে বেশি ডিসমিসাল করেছেন কামরান আকমল। ১৭টি ডিসমিসাল রয়েছে আকমলের নামের পাশে।
১২: এশিয়া কাপে দুই দল খেলেছে ১২টি ম্যাচ। মহাদেশীয় এ টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে কখনো হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। ১২ ম্যাচের ১২টিই জিতেছে পাকিস্তান।
৮: তামিম ইকবাল সর্বোচ্চ ৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন।

৭: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবথেকে বেশি ক্যাচ নাসির হোসেনের। ৭টি ক্যাচ নিয়েছেন নাসির।
৬: ৯.৫ ওভারে ৩৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে সেরা বোলিং ফিগার আব্দুর রাজ্জাকের দখলে।

৩: দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবথেকে বেশি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন মোহাম্মদ ইউসুফ। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি ৩টি। সারাবাংলাডটনেট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত