প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভোলায় মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলায় মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। ভোলার বিভিন্ন মাছঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভরা মৌসুমেও উপকূলীয় দ্বীপ জেলার নদ-নদীতে ইলিশের দেখা পাওয়া যায়নি। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে। কয়েকদিন আগেও যেসকল মাছঘাটগুলোতে ইলিশের দেখা মেলেনি এখন সেখানে আড়তদার আর পাইকারের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠেছে।

পরপরই মাছধরা ট্রলার বোঝাই ইলিশ নিয়ে সাগর ও নদী থেকে মাছঘাটে ফিরছে জেলেরা। ঘাটে নৌকা অথবা ট্রলার ভিড়ানোর সাথে সাথেই হাঁকডাক দিতে থাকেন ব্যাপারীরা। জেলেরা ঝুড়িতে করে বিভিন্ন আকারের ইলিশ নির্দিষ্ট গোলায় রাখেন। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ইলিশ কিনতে নিলামে ডাক উঠে যায়। প্রতিদিন এভাবেই জেলা সদরের বঙ্গেরচর থেকে চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ ও মনপুরা পর্যন্ত শতাধিক মাছঘাট থেকে প্রতিদিন ৪/৫ কোটি টাকার ইলিশ মাছ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মোকামে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য।
সদর উপজেলার তুলাতলী মাছঘাটে জেলে খোরশেদ আলম বলেন, চলতি মৌসুমে গত ৬ মাস নদীতে ইলিশের দেখা মেলেনি। গত দুসপ্তাহ ধরে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়ছে। ইউসুফ নামের আরেক জেলে বলেন, ভরা মৌসুমে বেশি মাছ ধরার আশায় ধারদেনা করে মাছ ধরতে নেমেছিলাম।
তুলাতলী মাছঘাটের আড়ৎদার বজলু বেপারী বলেন, ১০ দিন আগেও একজন জেলে প্রতিদিন মাত্র ২/৩ হাজার টাকার মাছ পেত। আর এখন একজন জেলে প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার টাকার মাছ পাচ্ছে। দামও আগের চেয়ে কম।

এব্যাপারে ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এ বছর ইলিশের প্রাপ্তিটা একটু শেষ দিকে হয়েছে। দেরিতে হলেও কাক্ষিত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরাও খুঁশি আমরাও খুঁশি।
তিনি আরও জানান, গত অর্থ বছরে ভোলায় ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লক্ষ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। আর সে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদন হয়েছে ১ লক্ষ ২৯ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু এবছর উৎপাদন লক্ষমাত্রা ১ লক্ষ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ধরা হলেও সে লক্ষমাত্রা পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানান। মা ইলিশ রক্ষায় আগামি ৭ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য নদীতে সব ধরনের মাছধরা বন্ধ থাকবে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ