প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে সবসময় থাকবে

গোলাম রাব্বানি : ডাকসু নির্বাচনের জন্য ১৯৯০ সালে ভোটার তালিকা তৈরি করতে দুই বছর সময় লেগেছিলো। সেই হিসেব অনুযায়ী  ভোটার তালিকার তৈরি করতে কিছুটা সময় লাগবে তো বটে। যারা বৈধ ভোটার আছে শুধু তারাই ভোট দিতে পারবে। যাদের ছাত্রত্ব আছে শুধু তারাই ভোটে অংশ গ্রহণ করতে পারবে। এ বিষয় প্রায় সকল হল প্রক্টরদের বলা হয়েছে ভোটার তালিকা তৈরির জন্য। আর এই ভোটার তালিকা তৈরি করতে ফেব্রুয়ারি নাগাদ সময় লাগলে মার্চ মাসের মধ্যেই ডাকসু নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।

বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংগঠন চায় যে ডাকসু নির্বাচন হোক। আর ছাত্রলীগ চায় যে, ছাত্র প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলুক। ছাত্রলীগের সহাবস্থান প্রতিটি হলেই আছে। এবং প্রতিটি হলে ৩০% ছাত্রলীগ আছে আর বাকি ৭০% অন্যান্য ছাত্রসংগঠন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে। ছাত্রদলের অধিকাংশ নেতাই আমাদের ১৫/১৮ বছরের সিনিয়র। তাই আমি বলবো, তাদের ছাত্রত্বই নেই। আর যাদের ছাত্রত্ব নেই তারা কি করে বৈধতার দাবি করে এবং তারা কিভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করবে! এটাতো কোনদিন সাধারণ সাধারণ শিক্ষার্থীরা মেনে নিতে পারবে না।  সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, তারা অতীতের জালাও পোড়াওসহ নানা কর্মকা- চালিয়েছে দেশ জুড়ে। সর্বশেষ নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে তারা গুজব ছাড়িয়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেশকে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফেলেছে। এখন তাদেরকে ক্যাম্পাসে জায়গা দিয়ে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই। ছাত্রলীগ সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে অতীতে ছিলো, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের পক্ষ থেকে কথা হচ্ছে যে, ছাত্রদল পূর্বে যে ভুলগুলো করেছে তারা তাদের ভুলগুলোকে স্বীকার করে অনুশোচনা করলে তাদেরকে স্বাগত জানাবো। গত কয়েকদিন পূর্বে নিরাপদ সড়কের যে আন্দোলন হয়েছে সেখানে ছাত্রদল যে সকল গুজব ছাড়িয়েছে, তাদের অপরাধ রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

পরিচিতি : সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ/মতামত গ্রহণ : মুহাম্মদ নাঈম/সম্পাদনা : তাওসিফ মাইমুন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত