প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ড. কামাল হোসেনের চরিত্র-খনন প্রয়োজন

মাসুদ রানা, লন্ডন, ইংল্যান্ড থেকে: রাজনীতিকদের চরিত্র-হনন একটি গর্হিত কাজ, বিশেষণের জন্যে চরিত্র-খনন খুব জরুরি বটে। জাতির নেতৃত্বে সমাসীন হওয়ার আগে নেতাদের চরিত্র-খনন দরকার। ড. কামাল হোসেনের ‘গণতান্ত্রিক’ ভাবমূর্তির একটা ব্যবচ্ছেদ ও বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন। কারণ, তিনি জাতির সামনে গণতন্ত্রের উদ্ধারকর্তা হিসেবে স্বৈরতন্ত্রের গৃহপালিত নেতা থেকে শুরু করে সাত ঘাটের পানি খাওয়া সুবিধাবাদীদের সাথে নিয়ে উত্থিত হয়েছেন। ড. কামাল হোসেন কথায় কথায় শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্ধৃতি দেন। তাকে প্রশ্ন করতে হবে, তিনি তার প্রয়াত নেতার বাকশাল সম্পর্কে কী মনে করেন? তাকে বলতে হবে, তিনি বাকশালের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাকশালের সর্বময় ক্ষমতাসম্পন্ন নেতাকে ডেমোক্র্যাট মনে করেন, নাকি অটোক্র্যাট মনে করেন?

ড. কামাল হোসেনকে জিজ্ঞেস করতে হবে, ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দীর্ঘদিনের পোড় খাওয়া নেতাদের মধ্যে থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের জটিল কিন্তু প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক চর্চায় ছাই দিয়ে তিনি যে তার প্রয়াত নেতার মানসিকভাবে অত্যন্ত আঘাতপ্রাপ্ত ও জিঘাংসাগ্রস্ত কন্যাকে জনগণের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা পুনরুজ্জীবিত আওয়ামী লীগের সভানেত্রী করলেন ভারতীয় নেহেরু ডাইনেস্টির অনুকরণে, তার পেছনে কোন্ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কাজ করেছিল তার? ড. কামাল হোসেন ভারতের অনুকরণে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে শুধু একটি সংবিধানই উপহার দেননি, ১৯৮১ সালে তিনি একই ভারতের অনুকরণে একটি ডাইনেস্টি বা রাজবংশের গোড়াপত্তন করে বাঙালি জাতির পূর্বখ-ের ওপর একটি দীর্ঘ-মেয়াদী গোলামী চাপিয়ে দিয়েছেন।

এহেন ড. কামাল হোসেন যখন পরীক্ষিত সুযোগ-সন্ধানী কতিপয় নিকৃষ্ট প্রকারের রাজনৈতিক প্রাণী নিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে বাঙালি জাতিকে উপহার দিতে চান এবং সেই উদ্ধারকর্মে সেনাবাহিনীর মোতায়েন চান, তখন আমাদেরকে বুঝে-শুনেই রায় দিতে হবে বৈকি!

সূত্র : লেখকের ফেসবুক ওয়াল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত