প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভিক্ষা ছেড়ে গানের আসরে

ডেস্ক রিপোর্ট : অন্ধ বাউল মানিক দেওয়ান। গানের তেজস্বী, মনোবল এবং অধ্যবসায় তাকে এগিয়ে নিয়েছে তাকে। তার গান দর্শকদের মন ভরেদেয়। প্রতিদিন সিংড়ার হাটে বাজারে মানিক চান দেওয়ানের গানের আসর বসে।
মানিকের গান শুনে গানপ্রেমী মানুষ খুশি হন। তাই মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা ছেড়ে রাস্তাঘাট, হাটে বাজারে গান গেয়ে সময় কাটান তিনি। গান শুনে খুশি হয়ে মানুষ যে যা টাকা দেয়, তা দিয়ে দিন শেষে বাজার করে নিয়ে যান মানিক দেওয়ান। আর সেই টাকায় চলে সংসার।

মঙ্গলবার অন্ধ বাউল মানিক দেওয়ানের সঙ্গে কথা হলে জানান, তার জন্ম নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেশচন্দ্রপুর গ্রামে। বসবাস করেন পাউবোর খাস জমিতে। জমিজমা ভিটেমাটি কিছু নেই। ২০১৪ সালে তাকে দেখে প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করে দেন স্থানীয় এমপি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তারপর থেকেই তিনি ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দেন। গানের প্রতি ঝোক ছিলো, তাই ৭০০ টাকা দিয়ে দোতারা কিনে শুরু করেন গান। মানিক চাঁনের খুব বড় আশা ইত্যাদির মাধ্যমে তার গান বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়ার। অন্ধ বাউল মানিক চানের সে আশা কি পূরণ হবে। তিনি পত্রিকার মাধ্যমে হানিফ সংকেত এর দৃষ্টি কামনা করেছেন।

মানিক দেওয়ান বলেন, ‘জন্মের ৭ বছর পর টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হই। তারপর থেকে অন্ধ হই। চিকিৎসা করার মত অর্থ ছিলো না। এজন্য ভিক্ষে শুরু করি। দীর্ঘদিন থেকে ভিক্ষে করতাম, ভিক্ষে না করলে ভাত জুটতো না, বাড়িতে ভাতের আশায় ভিক্ষে করতাম। তারপর বয়স বাড়তে লাগলো। এক ঘটকের মাধ্যমে বিয়ে করি, বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ি থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে বাজার করা হয়। সেই টাকায় বিয়ের খরচ চলে। বর্তমানে আমার সংসারে ৪ কন্যা সন্তান, এর মধ্য ১ জনের বিয়ে দিয়েছি। বাঁকি ৩ জন পড়ালেখা করছে। মানিক দেওয়ানের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?
সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ