প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করা বিজিএমইএর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: বার্নিকাট

আরিফুর রহমান তুহিন : গত ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো দ্রুত উন্নয়নের কারণে বিশ্বে নিরাপদ কারখানা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে আগামীতে বিজিএমইএর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শ্রমিক অধিকার বাস্তবায়ন করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ বিষয়ে অগ্রগতি ছিল খুব ধীর।

মঙ্গলবার রাজধানীর কাওরানবাজারে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্ততকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) প্রদত্ত এক বিদায়ী র্সবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বি. বার্নিকাট এসব বলেন। বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসে বার্নিকাটের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই সংবর্ধনার আয়োজন করে বিজিএমইএ।

পোশাক কারখানাগুলো আন্তর্জাতিক শ্রম আইন মেনে চলার আহবান জানিয়ে বার্নিকাট বলেন, এজন্য দ্রুত আইনগত পরিবর্তন জরুরি। এটা সম্ভব করা গেলে বিদেশের বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াবে। কারণ, ভোক্তারা এখন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শ্রম ইস্যুগুলো বেশি বিবেচনায় নেয়। আর শ্রমনীতি মানতে দেরি করলে এ দেশের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।

বার্নিকাট আরো বলেন, গত ৫ বছরে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের সহযোগিতায় এদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এর বড় অংশ এ দেশে থাকার কারণে স্বচক্ষে দেখার সুযোগ হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পের মাধ্যমে এ দেশের লাখো শ্রমিক দারিদ্র্যের কবল থেকে মুক্তি পেয়েছে। আগামীতে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের বিশেষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কষ্টার্জিত অগ্রগতিকে ধরে রাখার পরামর্শ দেব।

বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিগত ৮ বছরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে ৩৮০ শতাংশ শ্রমিকের মজুরি বদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু এই সময়ে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের মূল্য কমেছে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ। বার্নিকাটকে তিনি অনুরোধ করে বলেন, দেশে ফিরে মার্কিন ক্রেতাদেরকে বাংলাদেশি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির অনুরোধ জানাবেন।

সিদ্দিক আরো বলেন, সরকার শ্রমবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে দেশে অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে, প্রবৃদ্ধি এখন ৮ শতাংশের কাছাকাছি। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল করার দাবি জানান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত