প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুরু হলো আসামের নাগরিক তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়া

সাজিয়া আক্তার : গত ৩০ শে জুলাই প্রকাশিত চুড়ান্ত খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিলো প্রায় ৪০ লাখ মানুষ। নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য যেসব তথ্য ও নথি চাওয়া হয়েছিল সেগুলো জমা না দেওয়ার কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়। সূত্র : বিবিসি বাংলা

জাতীয় নাগরিক তালিকায় বাদ পড়া নিয়ে সৃষ্টি হয় নানা বিতর্ক। আর তাই আদালতের নির্দেশে সেই খসড়া তালিকার চূড়ান্ত সংশোধনের প্রক্রিয়া হচ্ছে, যার কার্যক্রম শুরু হয়েছে আজ মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) থেকে, চলবে আগামী দু মাস পর্যন্ত।

কর্তৃপক্ষ বলেছেন, যাদের নাম বাদ পড়েছে তারা তথ্য ও নথি জমা দিয়ে তালিকায় নাম তুলতে আবেদন জানাতে পারবেন।

শুরুতে আবেদন করার জন্য প্রাথমিকভাবে ১৫টি নথি নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন আবেদন করেছিলেন তিন কোটি ২৯ লাখ মানুষ। তার মধ্যে ৪০ লাখ ৭ হাজার ৭শ লোকের নাম পূর্ণাঙ্গ খসড়ায় ওঠেনি।

২৫ মার্চ ১৯৭১ এর আগে যারা আসামে গিয়েছিলেন বলে নথি প্রমাণ পেশ করতে পারেননি তাদের নাম জাতীয় নাগরিক পঞ্জী থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

শিলচরের দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকার সম্পাদক অরিজিত আদিত্য বলেছেন, এবার এনআরসি কর্তৃপক্ষ সুপ্রিমকোর্টে যে স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিওর-এসওপি জমা দিয়েছেন, সেখানে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর বাবা-মা বা পূর্বপুরুষরা যে ১৯৭১ সালের আগে থেকেই আসামে বসবাস করতেন এখন সেটার প্রমাণ দিতে হবে।

এখন যদি একটা মানুষের নামও তালিকা থেকে বাদ পড়ে তাহলে সেটাও হবে অমানবিক। কেননা প্রতিটা মানুষের মানবাধিকার রয়েছে। ওই ব্যক্তি তাহলে কোথায় যাবে? সে কি রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়বে? তার সঙ্গে কি করা হবে সেটা কিন্তু পরিষ্কার নয়।

এই বিষয়গুলো ফয়সালা না করেই সরকার এনআরসির মতো একটি প্রক্রিয়া শুরু করায় একে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল বলে উল্লেখ করেছেন অরিজিত আদিত্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ