প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপি নিবন্ধন ঝুঁকিতে রয়েছে: ইসি সচিব

সাইদ রিপন: যেসব রাজনৈতিক দল গত সংসদ নির্বাচন ও এরপর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেনি, তাদের নিবন্ধন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন অাহমদ। সে হিসেবে বিএনপির নিবন্ধন ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে।

অাগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব এসব কথা বলেন।

কোনো রাজনৈতিক দল পরপর দুই সংসদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে তাদের নিবন্ধনের কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি একটি অাসনেও নির্বাচন না করে তাহলে নিবন্ধন অাইন অনুযায়ী তাদের নিবন্ধন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। তবে অারো অনেকগুলো ক্রাইটেরিয়া থেকে যায়। কতগুলো দলের নিবন্ধন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেটি পরিসংখ্যান করা হয়নি।

সাংবাদিকদের অারেক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ৩০ অক্টোবরের পরে যেকোনো দিন তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। অার ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করার জন্য প্রস্তিতি নিয়ে রাখছে নির্বাচন কমাশন সচিবালয়।

অামরা প্রস্তুতি হিসেবে ভোটকেন্দ্রের তালিকা পেয়েছি। এ নির্বাচনের জন্য ৪০ হাজার ১৯৯টি কেন্দ্রের তালিকা পেয়েছি। এগুলো মোটামুটি ফাইনাল হয়ে গেছে। তফসিল ঘোষণার পর রিটার্নিং কর্মকর্তার দেয়া তালিকা গেজেট অাকারে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া অাজ থেকে ভোটার তালিকার সিডি পাঠানো হচ্ছে। অাজকে খুলনা ও সিলেট অাঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে পাঠাবো। বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে এক সপ্তাহের মধ্যে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যতগুলো শাখা রয়েছে। প্রতিটি শাখার সঙ্গে অামরা কথা বলতেছি। নির্বাচনে কোথায় যাতে কোনো ভূল ভ্রান্তি না হয়। সে বিষয়ে তাদেরকে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। সামনে নির্বাচন কমিশন সভায় যাতে সব ধরণের তথ্য তুলে ধরা যায়, সেজন্য অামরা কাজ করে যাচ্ছি।

সচিব অারো বলেন, যারা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যারা কাজ করবেন, তাদের তথ্যগুলো অামরা সংগ্রহ করতেছি। এদেরকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতেছি। তফসিল ঘোষণার পরপরই এই প্রশিক্ষণ করানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অঞ্চল ভিত্তিক বা জেলাতে হবে।

নির্বাচনরের সময় প্রশাসনের প্রত্যাহারের পাশাপাশি বদলীর বিষয়টি অারপিওতে যুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান ইসি সচিব। প্রত্যেক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা প্রশাসকরা রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারি, বেসরকারি অফিস, ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়োগ দেয়া হবে। ৩০০ অাসনের একসঙ্গে নির্বাচনের জন্য অনেক ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দরকার হয়। ইতোমধ্যে যারা প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন, নিরপেক্ষ ব্যক্তি এবং যাদের বিরুদ্ধে দলীয় তকমা লাগার অভিযোগ নেই এমন লোকদের নিয়োগ দেয়া হবে।

সচিব অারো বলেন, অারপিও সংশোধন না হলে বিদ্যমান অাইনে নির্বাচন করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ