প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

‘সাংবাদিকদের কর্মকা-শৃঙ্খলিত করার আইন মেনে নিবো না’

মো. এনামুল হক এনা : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেহেতু পাশ করেই ফেলছে সরকার। এখন এখানে দেখার বিষয় হচ্ছে এটার মধ্যে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা করার জায়গাটা কতটা বিপদজনক। সরকার দাবি করছে কোনোমতেই মত প্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এই আইন কোনোভাবেই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। আমাদের নতুন সময়ের সঙ্গে আলাপকালে বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার বলছে নতুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সাংবাকিতার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধুমাত্র অনলাইন ফেসবুকে টোটাল ভার্চুয়াল যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে। দেখা যায় অনেক সাংবাদিকও ফেসবুকে মুক্তমত প্রকাশ করে থাকে, এব্যাপারে জানতে চাইলে বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, সাংবাদিকদের কাজ ফেসবুকে না। সাংবাদিক যিনি প্রিন্ট মিডিয়ার সে পেপারে লিখবে। আর যিনি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক তিনি টেলিভিশনে বলবে। ফেসবুক হলো ব্যক্তিগত এ্যাকাউন্ট এবং তার ব্যক্তিগত ইচ্ছা। ফেসবুক এ্যাকাউন্ট ১৬ কোটি মানুষের আছে কিন্তু ১৬ কোটি মানুষই সাংবাদিক নয়।

বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল আরো বলেন, ফেসবুক অনলাইন ইন্টারনেট এগুলো আমাদের দেশে আগে ছিলো না। আমাদের দেশে যত আইন আছে এগুলোর একটি ধারাবাহিকতা আছে। সমস্ত আইন সংশোধিত। প্রয়োজনে কিছু কিছু নতুন আইন হয়। ফেসবুক সংক্রান্ত যে বিষয় সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কোনো আইন অতীতে ছিলো না। এখন ফেসবুক হচ্ছে অবারিত নিয়ন্ত্রনহীন।

মোল্লা জালাল আরো বলেন, আগামী দিনে সারা বিশ্বে টিকে থাকতে হলে এই ফেসবুক লড়াইয়ে টিকে থাকতে হবে। ফেসবুক হচ্ছে বর্তমানে একটি শক্তিশালি মাধ্যম। আমি সাংবাদিক হই আর যাই হই। সবার আগে হচ্ছে রাষ্ট্র। সরকার এই সমস্ত বিষয়ে আইন প্রণয়ন করবে এতে বাধা দেওয়ার কিছু নেই। সেক্ষেত্রে ফেসবুক টোটাল বন্ধ করে দিবে কি না, টোটাল ফেসবুককে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করবেন কি না। এটা একান্তই সরকারের বিষয়।

তিনি বলেন, সাংবাদিক হিসেবে এই আইনে আমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি কিনা এটা হচ্ছে আমার দেখার বিষয়। আমি মনে করি সাংবাদিকদের কর্মকা-কে বাধাগ্রস্থ করা বা শৃংখলিত করার আইন আমরা মেনে নিবো না। আইনের প্রয়োগ দেখতে হবে। এই আইনের প্রয়োগের ধরণটা কি হয়?

বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, সরকার এই আইনের আলোকে কি বিধিমালা করে সেটা দেখার বিষয়। সে বিধিমালায় নিশ্চয়ই সাংবাদিকদের সেন্টিমেন্টাল বিবেচনা করে বিধিমালা প্রনয়নের ক্ষেত্রে সরকার আরো সতর্ক হবেন। আরো যতœবান হবেন। সরকার সাংবাদিকদের মতামতকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করবেন আশা করছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত