প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

গিনেস বুকে ঢাকার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেস্ক রিপোর্ট : পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। গতকাল সোমবার গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএসসিসিকে এ স্বীকৃতির কথা জানায়। ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম রায়  এ তথ্য জানান।

গত ১৩ এপ্রিল রাজধানীতে এক পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির আয়োজন করে ডিএসসিসি। এতে সহযোগিতা করে রেকিট বেনকিজার। কর্মসূচির নাম ছিল ‘ডেটল পরিচ্ছন্ন ঢাকা’। কর্মসূচিতে অংশ নিতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ নিবন্ধন করেন। তবে কর্মসূচিতে অংশ নেন ১৫ হাজার ৩১৩ জন। অবশ্য গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ গণনা করে ৭ হাজার ২১ জন। আর বিশ্ব রেকর্ড গড়তে দরকার ছিল এরও কম।

ভারতের আহমেদাবাদের কাছের একটা শহরে ৫ হাজার ২৬ জনকে নিয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা পরিস্কার করার মাধ্যমে গিনেস বুকে স্থান করার একটি রেকর্ড রয়েছে। ডিএসসিসির সংশ্নিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সেই রেকর্ড ভাঙার চেষ্টা করার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতায় জনগণকে সচেতন করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ডিএসসিসি মনে করেছে, ভারতের ওই শহরে যে সংখ্যক মানুষকে নিয়ে সড়ক পরিস্কার করে বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়েছে, সেই সংখ্যার চেয়ে বেশি পরিচ্ছন্নকর্মী তাদের রয়েছে। এ অবস্থায় নিজেদের কর্মীদের দিয়ে অভিযান চালানো হলেও রেকর্ডটি ভাঙা সম্ভব। এর বাইরে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে রেকর্ডসংখ্যক মানুষকে উপস্থিত করে গিনেস বুকে নাম লেখার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধি করা যাবে। এজন্য বাংলা নববর্ষের বিদায়কালে উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করে ডিএসসিসি।

কর্মসূচিতে ডিএসসিসির নিজস্ব পরিচ্ছন্নকর্মী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর পাশাপাশি বিভিন্ন সেবা সংস্থা, স্টু্কল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি, আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, রাজনৈতিক দলের কর্মীসহ সাধারণ নগরবাসী অংশগ্রহণ করেছেন। রেজিস্ট্রেশনকালে পরিচ্ছন্নতা কাজে অংশ নেওয়ার জন্য সবার হাতে একটি করে ঝাড়ু, মাথার ক্যাপ ও মুখে মাস্ক দেওয়া হয়। ঝাড়ুর সঙ্গে একটি বারকোড ও হাতে নির্দিষ্ট যন্ত্রবিশেষ দেওয়া হয়। গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ ড্রোন, স্যাটেলাইট ও লাইভ ভিডিওসহ তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে উপস্থিতি গণনা করে। ওইদিন সকাল ৯টায় এ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি উদ্বোধন করেন মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

কর্মসূচি পালনকালে উপস্থিতির সংখ্যা পাঁচ হাজার ৫৮ জন অতিক্রম করার পরপরই সাঈদ খোকন বলেছিলেন, ‘ঢাকাবাসী, আমরা রেকর্ড ভেঙেছি। এই রেকর্ড জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করলাম। এই রেকর্ডের মধ্য দিয়ে বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছি, ঢাকাবাসী পরিচ্ছন্ন নাগরিক।’ তিনি রেকর্ড গড়ার ঝাড়ু সবাইকে বাসায় নিয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে তুলে রাখার অনুরোধ জানান। ওই কর্মসূচির পাঁচ মাস পর রেকর্ডটির স্বীকৃতি দিয়ে এ-সংক্রান্ত একটি সনদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে পৌঁছে দিল গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ। সূত্র : সমকাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত