প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতও বাদ, দক্ষিণ এশিয়া থেকে শুধু বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক : গত মাসে থিম্পুতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব ১৫ সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু এক মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশ চলে গেছে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের দ্বিতীয় পর্বে। সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত অবশ্য তাদের গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় পর্বে যেতে পারেনি। কেবল ভারতই নয়, প্রথম পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্য তিন দেশ নেপাল, শ্রীলঙ্কা আর পাকিস্তান।

ঘরের মাঠে বাহরাইন, লেবানন, আরব আমিরাত ও ভিয়েতনামের সঙ্গে বাছাইপর্বের ‘এফ’ গ্রুপে ছিল বাংলাদেশ। যেখানে চার ম্যাচে মোট ২৭ গোল করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকেরা। লাওস, হংকং, মঙ্গোলিয়া আর পাকিস্তানের সঙ্গে গ্রুপ ‘বি’তে ছিল ভারত।

মঙ্গোলিয়ায় অনুষ্ঠিত বাছাইপর্বে চার ম্যাচে দুই জয়, এক ড্র ও এক হার নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে তাঁরা। রানার্সআপ হলেও দ্বিতীয় পর্বে খেলার সুযোগ ছিল। ছয় গ্রুপ থেকে দুটি সেরা রানার্সআপই সেই সুযোগ পেত। কিন্তু ভারত তা হতে পারেনি। চার ম্যাচে কোনো গোল না করে ২০ গোল হজম করে গ্রুপের তলানিতে থেকে বাছাইপর্ব শেষ করেছে একই গ্রুপে থাকা পাকিস্তান।

গ্রুপ ‘এ’ এর আয়োজক ছিল শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানদের সঙ্গে একই গ্রুপে ছিল চীন, জর্ডান, উজবেকিস্তান ও গুয়াম। চার ম্যাচে দুই গোল করে ৩২ গোল হজম করে গ্রুপের তলানিতে থেকে বাছাইপর্ব শেষ করেছে তারাও।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মতো বাছাইপর্বের আয়োজক ছিল নেপালও। গ্রুপ ‘ই’ তে তাঁদের সঙ্গে ছিল মিয়ানমার, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়া। ঘরের মাঠে নেপালিদের একমাত্র অর্জন মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-৪ গোলে ড্র।

এর আগে ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েই চূড়ান্তপর্বে নাম লিখিয়েছিল বাংলাদেশ। বাছাইপর্বে গতবারের চেয়ে এবার দলসংখ্যা বেড়েছে। তাই গত আসরের মতো গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেই চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার সুযোগ থাকছে না। ছয় গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন এবং সেরা দুই রানার্সআপ দলকে খেলতে হবে দ্বিতীয় রাউন্ডে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত পর্বে যাওয়ার লড়াই। সে টুর্নামেন্টের ভেন্যু এখনো ঠিক হয়নি। প্রথমআলো

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত