প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

আইনমন্ত্রীর কথায় সিনহার বিরুদ্ধে মামলা হবে না : দুদক চেয়ারম্যান

মাসুদ মিয়া : সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দুর্নীতির বিষয়ে তথ্য প্রমাণ ছাড়া মন্ত্রীর কথায় মামলা হবে না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এস কে সিনহার বিরুদ্ধে দালিলিক প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইনমন্ত্রী যা বলেছেন সেটি ওনার বিষয়। মন্ত্রীর কথার প্রভাব দুদকে পড়ার সম্ভবনা নেই। প্রমান পেলে যে কারো বিরুদ্ধে মামলা হবে। মন্ত্রীর কথায়ও অনুসন্ধান বা তদন্ত হবে না। যেহেতু সরকার নিজেই বলে দুদক একটি স্বাধীন কমিশন। সো মাননীয় মন্ত্রী যা বলেছেন, উনারটা উনাকেই জিজ্ঞাস করেন, আমাকে না। তিনি বারবার এড়িয়ে যাওয়ায় সাংবাদিকরা সরাসরি উত্তর পেতে আবারও প্রশ্ন করেন। সাবেক আমলা ইকবাল মাহমুদ তখন বলেন, আপনারা এমন একজন ব্যক্তির ব্যাপারে বলছেন, অনেক বড় ও বৃহৎ। আমাকে বিব্রত না করাটাই সবার জন্য ভালো।

এদিকে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে দুই কথিত ব্যবসায়ী অবৈধভাবে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। সেই টাকা অন্য আরেক ব্যবসায়ী হয়ে এস কে সিনহার বাড়ি বিক্রি বাবদ তার ব্যাংক হিসাবে ঢুকেছে বলে একটি অভিযোগ দুদক তদন্ত করছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে; সেই প্রসঙ্গেই বলছিলেন আইনমন্ত্রী। দুদক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, একবার আপনারা লিখেছেন, চার কোটি টাকা ইয়ে হয়েছে। সেটা দুইজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটা অনুসন্ধান। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ঋণ প্রদান এবং ঋণের সেই টাকা অন্য কোথায়ও যাওয়া নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। সেই টাকার ব্যাপারে পত্রিকায় আপনারা একটা ইঙ্গিত দিয়েছেন। আমরা কিন্তু কখনও বলিনি। অনুসন্ধান শেষ হল না, দুদক থেকে এমন একটা কথা বেরিয়ে যাবে, দিস ইজ ভেরি আনফরচুনেট।

সেই চার কোটি টাকার অনুসন্ধান দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এস কে সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ দুদকে এসেছে কি না- জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান পাল্টা সাংবাদিকদের বলেন, কই, আপনাদের কাছে ১১টি অভিযোগ আছে না কি? থাকলে দেন। বিচারপতি সিনহা ছুটি নিয়ে বিদেশ যাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনসহ সুনির্দিষ্ট ১১টি অভিযোগের কথা সুপ্রিম কোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়। বলা হয়, ওইসব অভিযোগের কারণে আপিল বিভাগের অন্য বিচারকরা আর প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসে মামলা নিষ্পত্তিতে রাজি নন।

সাবেক ওই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে দুদকে কোনো অনুসন্ধান চলছে কি না- জানতে চাইলে ইকবাল মাহমুদ বলেন, সেই প্রশ্নের জবাব এখন আমি দেব না। আপনাদেরকে ওয়েট করতে হবে। আপনারা এভাবে একটা প্রশ্ন করলে আমার জন্য অসুবিধা হয়। কারণ আমাকে দেখতে হবে, বুঝতে হবে, জানতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত