প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিশ্বকে তাঁক লাগাতে টোকিও অলিম্পিকের অত্যাধুনিক যত আয়োজন

আক্তারুজ্জামান : হাজারো অ্যাথলেটের মুখরিত ভঙ্গি। চোখ ধাঁধাঁনো আলোর ঝলকানি। বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের বিমুগ্ধ তাকিয়ে থাকা। চার বছর পর পর বাতাসের বিষণœ আবহই যেন বদলে দেয় এক আসর। আর তা হলো ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত অলিম্পিক গেমস।

বছর দু’য়েক পর বিশ্ব আবার মাতবে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে। অলিম্পিকের ৩২তম আসরটি বসবে ২০২০ সালে। প্রযুক্তির পিতা খ্যাত জাপানের টোকিওতে ট্র্যাক কাঁপাবে অ্যাথলেটরা। আর এই আসর ছাড়িয়ে যাবে বিগত ৩১ আসরের সব আয়োজন সব ব্যবস্থাপনাকে। পুরো টোকিও অলিম্পিকের ব্যবস্থাপনা থাকবে প্রযুক্তি নির্ভর। সমগ্র বিশ্ব এখনো পর্যন্ত যা দেখেনি তাই দেখাতে চলেছে টোকিও।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় অলিম্পিককে অনেক দূরে এগিয়ে নেওয়ার অপেক্ষায় জাপান। অ্যাথলেটদের পদক থেকে শুরু করে চলাফেরা সবখানেই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্বারা আসরের রূপান্তর ঘটাবে দেশটি। যেভাবে বদলে যাবে ২০২০ টোকিও অলিম্পিক, তার কিছু নমুনা আজ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো………

১. শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি যোগানো হবে পুরো আসরে।
২. স্টেডিয়াম ও অ্যাথলেট ভিলেজ আলোকিত করা হবে বায়ুশক্তি ও সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে।

৩. পদক তৈরিতে কাজে লাগানো হয়েছে অব্যবহৃত পুরোনো মোবাইল ফোন। কেননা মোবাইলে সামাণ্য পরিমাণ সোনা, রুপা ও তামা থাকে। এজন্য সে দেশের সাধারণ জনগণ প্রায় ৮০ হাজার ফোন ও অন্য ডিভাইস দান করেছে। সেগুলোই ৫ হাজার পদক তৈরিতে ব্যবহার হবে।

৪. গেমসের অতিথিদের জন্য থাকবে চালকবিহীন গাড়ী। যাত্রীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করে গাড়ীর দরজা খেলার পাশাপাশি বিল পেমেন্টও করবেন ফোন ব্যবহার করে।


৫. রোবট পরিচালিত গাড়ী চলাচলের জন্য থাকবে সৌর রাস্তা। পরীক্ষামূলকভাবে জাপানে দীর্ঘ সৌর রাস্তা করাও হয়েছে।
৬. টোকিওর ভূমিজুড়ে বসানো হবে অনেকগুলো সৌর প্যানেল।
৭. বিদেশি অতিথিদের জাপানি ভাষা অনুবাদ করে দিবে দোভাষি রোবট। ভেন্যুর বিভিন্ন জায়গায় দেখা মিলবে এই সব রোবটদের।


৮. প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের মালামাল বহন করার জন্যও রাখা হবে রোবট।
এভাবেই অলিম্পিককে অনন্য উচ্চতার দিকে নিতে চাইছে জাপানি আয়োজকরা। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাক বিশ্ব। শুভ কামনা টোকিও অলিম্পিকের জন্য। বিভিন্ন ব্লগ অবলম্বনে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত