প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘আমরা কামরুজ্জামান খাঁনকে হারাতে চাই না’

মতিউর রহমান (ভান্ডারী): প্রায় দুই দশক আগের কথা। বাংলাদেশের প্রতি গ্রামেই দু’একজন করে অর্থ-সম্পদের মালিক ছিল। ওই সময় প্রতিরাতেই ডাকাতি হওয়ার কাথা শুনতে পেতাম। ডাকাতি হওয়ার খবর মাঝে মধ্যে এখনো পাই, তবে দুই দশক আগের ডাকাতদের কৌশল আর বর্তমান কৌশল অনেকটাই তফাত। আগের মানুষগুলো সহজ সরল ছিল। ডাকাতরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে কাগজে লিখে আগাম বার্তা পৌছে দিতো বাড়ির মালিকদের কাছে। বার্তায় ডাকাতির দিন তারিখ সহ বিভিন্ন নির্দেশ উল্লেখ থাকতো। ওই তারিখ অনুযায়ী ডাকাতিও করতো তারা। দুই দশক পরে আজ ডাকাতির কথাগুলো মনে করিয়ে দিলো সাংবাদিক কামরুজ্জামকে হত্যার বার্তা দেখে। তিনি বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এবং দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার।

গত ২১ আগস্ট (কোরবানির ঈদের আগের দিন) বিকেলে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডে কামরুজ্জামান খানের চাচাতো ভাই কলেজ শিক্ষার্থী মারুফ খাঁন ইভটিচিংয়ের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে নিহত হয়।

এরপর ভাই হত্যার আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসহ একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কামরুজ্জামান খান নেতৃত্ব দেন। এর বেশ কিছুদিন পর গত বুধবার তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ডাকাযোগে পত্র প্রেরন করে কে বা কারা? ওই পত্রে বলা হয়েছে, মারুফকে খুন করলেও পুলিশ আসামিদের কোনোভাবেই ধরতে পারবে না। এবং কামরুজ্জামান ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়মিত অনুসরণ করছে বলেও চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। এই কৌশল গত দুই দশক আগে ডাকাতরা ব্যবহার করে ডাকাতি করতো।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কামরুজ্জামান সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আমি, গত একযুগের বেশি সময় ধরে সংবাদকর্মী হিসেবে কর্মরত আছি। এর মধ্যে অন্যান্য সংবাদকর্মীদের সাথে আমার বন্ধুত্বের সম্পরর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাদের সাথে একই বিছানায় ঘুমিয়েছি। একজনের খাবার দু’তিন জনেও ভাগ করে খেয়েছি। এর মধ্যে খোঁকন নামের এক ক্যামেরাম্যান কয়েক বছর আগে হটাৎ করেই গুম হয়ে যায়। আজও তার কোন খোঁজ মেলেনি।

যে বন্ধু হারিয়েছে, যে সহকর্মী হারিয়েছে তারাই শুধু অনুভব করতে পারে হারানোর বেদনা। আমারা আর কাউকে হারাতে চাই না।
আমরা আইন প্রয়োগকারি সংস্থার উপর আস্থাশীল। বিষয়টি খতিয়ে দেখে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত