প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

“আপনালয়”

রিমা লিমা: চশমাটা এবার বদলাতেই হবে মনে মনে বলেন সফুরা বেগম।  আজ বাবু এলে বিষয়টা বলবেন বলে ঠিক করলেন। ছোট কাল হতেই হাতের কাজের খুব শখ তার। বাবুর বাবা তো তার ফুল তোলা রুমাল ছাড়া অন্য রুমাল ব্যাবহারই করতেন না। শুধু কি তাই বিছানার চাদরে বালিশের কাভারেও থাকা চাই তার হাতের কাজ। গ্রামের কত মেয়েকে তিনি হাতে ধরে শিখিয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। এবার ভেবেছেন ছোট নাতনিকে  একটা নকশীকাঁথা করে দিবেন। তা কাজ এগুচ্ছেই না। সেই তখন থেকে সূচে সূতা ভরতে চাইছেন পারছেন না কোনভাবেই ।

সফুরা বেগমের ছয় সন্তান তিনজন  দেশের বাইরে থাকে। বাবু, সাকি আর আবু দেশে থাকে। আবুর সরকারি চাকরি তাই বদলি হয় মাঝে মাঝে ঢাকার বাইরে। বাবু ব্যাবসায়ী  আর সাকি তার স্বামী সংসার নিয়ে উত্তরাতে থাকে। আবু সবার ছোট। সরকারি চাকরি করলেও খুব সৎ তাই তার সংসারটা খুব হিসাবে চলে। সফুরা বেগম সাধারণত যখন বাবুর বাচ্চাদের ছুটি থাকে তখন যান কয়দিন থাকতে। বাবুর বাচ্চাদের স্কুলে আনা নেওয়ার দায়িত্ব তার উপর।

বাবু ব্যাবসার কাজে ভিষণ ব্যাস্ত সফুরা বেগমের সাথে একবাসায় থেকেও দেখা হয়না বললেই চলে। সকালে নামাজ শেষ করে তিনি বাসায় থাকা মেয়েটিকে ডেকে তুলেন সানু আর বিভার নাস্তা টিফিন রেডি করতে। তিনি দুই নাতিকে নিয়ে সকাল ৭ টায় বাসা থেকে  বের হন। তখন বাবু আর বউমা দুজনই ঘুমায়। বাসায় ফিরতে প্রায় ৯.৩০ বেজে যায় ততক্ষণে বাবু তার অফিসে রওয়ানা হয়ে যায়। তিনি পৌছানোর পর বউমা অফিসের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। সংসারের রান্নাঘরের সব কাজই জামিলা করে তবে বাবুর পছন্দের তরকারিটা তিনি নিজেই করেন। মাঝে  মাঝে নাতিদের জন্য নানারকম টিফিন তৈরি করেন তিনি। তার দুই নাতি তার ফুল লতাপাতা আঁকা রুমাল স্কুলে নিয়ে যায়। তারা বলে “ we are proud for you dadi. জানো আমার বন্ধুদের দাদিরা হাতের এত সুন্দর কাজ পারেই না!”

সফুরা বেগমের গাছের শখ। ঢাকায় আর জায়গা কোথায়। তিনি বারান্দায় টবে পুঁই ডাটা, পুদিনাপাতা আর তুলসীপাতা লাগিয়েছেন। নাতিদের ঠান্ডা লাগলে তিনি তুলসীপাতার রস খাইয়ে দেন। বাবুর পেট ফেঁপে গেলে তিনি পুদিনাপাতার বড়া করে দেন। বউমার অবশ্য এসবে বিশ্বাস নেই। আসলে এ যুগের  মেয়েরা এসব জানবেই কিভাবে। গ্রামে থাকতে কারো এসিডিটির সমস্যা হলে পাথরকুচি পাতার রস খেলে সাথে সাথে উপকার পেত। আগেরদিনে বাচ্চাদের কৃমি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিমের রস দিয়ে বানানো ছোট গুলি খেতে দেয়া হত। এতেই বাচ্চারা ভাল থাকত। আসলে গাছ গাছড়ায় তৈরি  ঔষধি শক্তি মানুষকে নিরোগ রাখে। তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তিনি ছোট বেলার তার ছয়টি সন্তানকে এভাবেই মানুষ করেছেন। এখন কিছু হলেই  বউমা বাচ্চাদের নিয়ে ছুটে শিশু ডাক্তারের কাছে আর নিয়ে আসে গাদা গাদা এন্টিবায়োটিক ।

আজ সফুরা বেগম রাত জেগে অপেক্ষা করছেন বাবুকে তার চশমার কথা বলবেন বলে। তিনি দরজা খুলে দিতেই বাবু অবাক হয়ে বিরক্তি নিয়ে জানতে চাইল এখনো ঘুমাওনি কেন? সফুরা বেগম বললেন না তোর সাথে তো দেখা হয়না তাই ভাবলাম আজ না হয় জেগে অপেক্ষা করি। বাবু বলল ঠিক আছে কি বলবে বলে ফেল। আমার চোখের পাওয়ার টা মনে হয় বদলাইছে। তাই ডাক্তার দেখানো দরকার। বাবু বেশ বিরক্ত  নিয়েই বলল… ‘দেখি সময় পেয়ে নেই।’ সফুরা বেগম ঘরে গিয়ে শুতে গিয়েই শুনতে পেল বউয়ের গলা। আচ্ছা তোমার মা এত ডাক্তার ডাক্তার করে কেন? তিনি কি এমন রাজ্য জয় করেন সারাদিন যে তার নিত্য নতুন চশমা লাগবে। আরে বয়স হয়েছে এখন মেনে নিলেই তো হয় যে তার দিন শেষ হয়ে আসছে। তা নয় উনাকে দুই দিন পর পর ডাক্তার দেখানো লাগবে। সফুরা বেগম খুব নিরিহ প্রকৃতির মানুষ পারতপক্ষে  কাউকে বিরক্ত করেন না। তাই নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। তার দুচোখ বেয়ে জলের ধারা নেমে এলো।

সকালে৷ নাতিদের স্কুল থেকে  নামিয়ে বাসায় ফিরে বউকে বললেন…… “ বউমা বাবু সময় পায় না। আর আমার তেমন অসুবিধা নাই তাই তোমাদের ব্যাস্ত হবার কিছু নাই। এবার শিমুল খুব হাস্যমুখে বলল হা মা আমিও তাই বলি। আপনার ছেলে তো  মহাব্যস্ত পারলে আজি যায় আসলে এটা জরুরি বিষয় নয়। বয়স হলে এমন হতেই পারে। আমরা তো সব করছি আপনি যখন আবুর কাছে যাবেন তখন না হয় ডাক্তার দেখিয়ে আসবেন। সফুরা বেগম সম্মতিসূচক মাথা নাড়েন।

আজ কাল দুপুরের পর পরই সফুরা বেগমের দুই চোখ ভেঙ্গে ঘুম আসে। কিন্তু উনার নিজের কোন রুম নেই তাই চেয়ারে বসে বসেই ঝিমান। তিনি রাতে তার বড় নাতনীর সাথে ঘুমান। আর দুপুরে টিচার পড়াতে আসে তাই তিনি তখন ঐ রুমে থাকতে পারেন না। তিনি তখন পায়চারী করে বা চেয়ারে বসে সময় পার করেন।

সফুরা বেগমের বয়স ৭০ এর কাছাকাছি। সে হিসেবে তিনি এখনও অনেক শক্ত আছেন। তিনি প্রতিদিন দুইবেলা বাসা থেকে বের হয়ে দুই নাতিকে স্কুলে আনা নেয়া করেন। আবার কখনও বিকেলে নাতিদের গানের ক্লাস থাকলে তিনিই নিয়ে যান এবং বসে থেকে নিয়েও আসেন।

সফুরা বেগম স্বামী মারা যাবার পর প্রতি মাসে ছয় হাজার টাকা পান সরকার থেকে । তার সব গহনাই ছেলেমেয়েদের  পড়াশুনা আর বিয়ের সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। এটা নিয়ে তার মনে কোন আক্ষেপ নেই। শুধু তার স্বামীর খুব পছন্দ ছিল চুড়ি । তিনি সবসময় বলতেন চুড়ি না পড়লে মেয়েদেরকে মা মা মনেই হয় না। তিনি পেনশনের টাকাটা ছেলের হাতে প্রতিমাসে তুলে দেন কিছু রেখে। তার ঔষধ  কিনতে লাগে ২৫০০ আর নাতিদের এটা সেটা কিনে দিতে তিনি আরও ৫০০ টাকা রেখে দেন। একদিন বাবুকে বলেছিলেন আমাকে ওই টাকা থেকে ব্রোঞ্জের উপরে সোনার কাজ করা দুইটা চুড়ি কিনে দিবি। বাবু অবশ্য বলেছে সে একদিন কিনে দিবে। বাবুর ব্যাবসার অবস্থা খুব একটা নাকি ভাল যাচ্ছে না। এবার ঈদে তিনি ভাবছেন ছেলেকে মনে করিয়ে দিবেন আবার কথাটা ।

আজকাল প্রায়ই তার মাথাটা সকাল থেকে ধরা থাকে। চোখেও বেশ কম দেখেন আজ কাল। কাঁথাটা শেষ করতে পারবেন কিনা জানেননা। এখন কাজ আর আগের মত পারেন না। আজ সকাল থেকেই যেন শরীরটা বেশী খারাপ লাগছে। সকালে ঘুম থেকে উঠতে গিয়েই মাথা ঘুরে পড়ে যান। খাটের এক কোনা লেগে কপালটা কেটেও যায়। তারপর আর কিছু মনে নেই। নিজেকে আবিষ্কার করেন হাসপাতালের কেবিনে। চোখ মেলতেই দেখেন তার মেয়ে বসে আছে। ডাক্তার বললেন তার একটা মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে আর দুচোখেই ছানি পড়েছে । যথা শীগ্র অপারেশন করা দরকার। তার মাথা ঝিমঝিম করার কারন নাকি এটা। তিন দিন পর বাসায় ফিরলেন। শরীরটা এখনও খুব দুর্বল ।

তিনি বেশ কিছুদিন স্কুলে যান না তাই তার খোঁজ নিতে সফুরা বেগমকে কিছু না জানিয়েই একদিন তার তিন বান্ধবী বাবুর বাসায় এসে হাজির। এদের সাথে পরিচয় নাতিদের স্কুলে আনা নেয়া করার সময়। তার মত এরাও নাতিদের স্কুলে আনা নেওয়ার কাজটি করে। আসলে বুড়ো বুড়িদের এই কাজটি ছাড়া তো আর কোন কাজ নাই। তারা সবাই কারো দাদি বা নানি। বউমা যে বিষয়টি ভাল ভাবে নেয়নি তিনি তা বুঝতে পারলেন। তারা চলে যাওয়ার পরই শিমুল বেশ দুই কথা শুনিয়ে দিল। সফুরা বেগম দেখলেন তাকে শুনিয়ে বউমা কাজের মেয়েটাকে বলছে ……“তার এত ছেলেমেয়ে থাকতে আমার সব জ্বালা । এখন তার ছেলেমেয়েরা আহা আহা করে দরদ দেখাবে তার বান্ধবীরা আসবে আর আমি কোমড়  বেঁধে তাদের যত্ন করব । একে তো রোগীর যন্ত্রণা তার উপর মেহমানদারী ।”

আজ বিকেলে সফুরা বেগমের শরীরটা বেশ ভাল আগের চাইতে। তিনি লক্ষ্য করলেন তার ছেলে আবু আসছে। তিনি ভাবলেন তার খবর শুনে হয়ত এসেছে। তারপর তার কন্যা তার স্বামী সহ এল। আর বাবুও আজ তাড়াতাড়ি অফিস থেকে চলে এলো । তার বিষয়টা একটু অস্বাভাবিক লাগলো । তার ধারনাই ঠিক সবাই তাকে নিয়ে আজ আলোচনায় বসবে বলে ঠিক করেছে।

সবার আগে শিমুল বলা শুরু করল। দেখেন আপনারা উনাকে রেখে গেছেন কেউ খোঁজও নেন না। তার খাওয়া দাওয়া চিকিৎসা সব দায়িত্ব আমাদের ঘাড়ে। আর আপা আপনি তো কিছুই করেন না। আগে মা বাচ্চাদের স্কুলে আনা নেয়া করত এখন তো তাও নিয়মিত পারবে না। আমাকে একটা আয়া রাখতে হবে এই কাজের জন্য। দেখুন সবাই মিলে দায়িত্ব ভাগ করে নেন।

এবার তার মেয়ে সাকি বলল দেখ বাপু আমি মেয়ে আমি কেন দায়িত্ব নিব । আমার বাচ্চাদের পিছনে আমি সারাদিন দৌড়াই । তাদের কোচিং , স্কুল, নাচের ক্লাশ আরও কত ঝামেলা। আমার শাশুড়ি একা তাও তাকে গ্রামে রেখে দিয়েছি। আমি বাপু তোমাদের ঝামেলায় জড়াতে পারবো না।এবার বাবু সোচ্চার হলো বলল দেখ আপা তোমার বিয়েতে বাবার পাওয়া শেষ টাকাটা সম্পূর্ণ খরচ হয়ে গিয়েছে। আর তুমিও মায়ের সন্তান। এবার সাকির স্বামী গলা খাঁকারি দিয়ে বলা শুরু করল বেশ ভুমিকা নিয়ে। “ দেখ মায়েদের জন্য এখন মেয়েরাই করে। তাই তার দায়িত্ব নিতে আমি প্রস্তুত। আবার সাকি ধমকের সুরে কথা বলতে চাইলেই সাকির স্বামী থামিয়ে দিল। এরপর বললেন দেখেন মা যে কয়টি টাকা পান তা তার ঔষধপত্র কিনতেই লেগে যাবে। কিন্তু আমার অবস্থা এত ভাল নয় যে তার জন্য আলাদা আয়া রাখবো তাই বলছিলাম কি আবু আর বাবু মিলে আমাকে মায়ের খরচ বাবদ ৮০০০ টাকা দিবে। ইনশাল্লাহ আমি তাকে আমার নিজের মায়ের মত যতন করে রাখবো । এবার সাকির মুখে হাসি ফুটল । সাকি আর তার স্বামী চোখাচোখি করে বেশ বিজয়ের হাসি হাসতে লাগল।

শুধু আবুটা কাঁদতে লাগল। সে বলল……“ আমি একাই মায়ের সব দায়িত্ব নিবো । যদি আপনারা মাকে দেখতে আসেন ভাল তা না হলে তারও প্রয়োজন নেই। মার কষ্ট হবে তার গরীব ছেলের কাছে কিন্তু আমি মাকে ভাল রাখবো যেভাবেই হোক ভাল রাখবো । আপনার কিছু দিতে চাইলে মাকে দিয়েন আমার কিছু লাগবে না।”

কখন যে সফুরা বেগম দরজার কাছে দাঁড়িয়েছেন কেউ খেয়াল করেনি। তার কথায় সবাই দরজার দিকে তাকায়। তিনি বলেন তোমাদের কথা শেষ হয়েছে। এবার আমি কিছু বলতে চাই। শিমুল আর বাবু তোমরা আমার জন্য কি কিছু করেছ? বাবু গলা উঁচু করে বলতে লাগল এইটা আপনি কি বললেন। সফুরা বেগম শান্ত গলায় বললেন আমার কথা শেষ হয়নি। এবার শিমুল বলল …… “আপনি এত বেঈমান।” সফুরা বেগম এবার ধমকের সুরে বললেন শুধু দুই সন্তানের মা হয়েছ কিন্তু আদব কায়দা কিছুই জানোনা। তুমি না পড়াশুনা শিখেছ?  যাই হউক সবাই শুন আমি তোমাদের কারো সাথেই থাকতে চাই না। আমি আমার স্বামীর ভিটায় ফিরে যাব। আবু বলল মা আপনার শরীর খারাপ । এবার তিনি হেসে বললেন… “শুন গ্রামের মানুষ অসুস্থ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায় আমিও তাই যাব। আর মাঝে মাঝেই বিনা মূল্যে ছানি অপারেশন হয় তাই আমার ব্যাবস্থা হয়ে যাবে একদিন। যার কেউ নাই তার আল্লাহ আছেন।”

এবার বাবু শিমুলের দিকে ফিরে বললেন শুন…………  “তোমরা নাকি আয়া রাখবে বাচ্চাদের স্কুল থেকে আনা নেয়া করতে? এবার  দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন তবে ভেবো আমি এক আয়াই ছিলাম। আর প্রতি মাসে আমি বাবুকে তিন হাজার টাকা দিয়েছি। তাই আমার থাকা খাওয়ার হিসাব পরিষ্কার । আর সাকি তুমি ভাবলে কি করে আমি তোমার বাসায় যাব? আমি আমার শেষ কয়টা দিন আমার স্বামীর ভিটায় কাটাতে চাই। না আমার জন্য তোমাদের কিছুই আর করতে হবে না।

এবার আবুর দিকে ফিরে বললেন আমি ভেবেছিলেম আমি কোন সন্তানকেই মানুষ করতে পারিনি। না বাবা তুমি আমার ধারনা ভুল প্রমান করে দিয়েছ। তুমি মানুষ হয়েছ। আমি আজই চলে যেতে চাই । তুমি আমাকে পৌঁছে দেবে না? এবার আবু মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। তারপর পকেট থেকে দুইটা ব্রোঞ্জের চুড়ি বের করে মাকে পড়িয়ে দিয়ে বলে মা তোমার ছেলের এর বেশি সাধ্য নাই। সফুরা বেগম এবার নিজেও কাঁদতে থাকেন। এবার তার দুই নাত্নি পিছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরে বলে দাদু তুমি কোথায় যাও? তিনি এবার চোখ মুছে বলেন আমার নিজের বাড়িতে। তোমরা দিদাকে দেখতে আসবে না?

বাসে করে আবুর সাথে সফুরা বেগম গ্রামের পথে রওয়ানা হয়েছেন। বার বার তার চোখের পাতা ভিজে যাচ্ছে। তবে তিনি আর পিছন ফিরে তাকাননি। ভাবছেন তার ভাঙ্গা ঘরটা সারাতে হবে। তার স্বামীর কবরের আগাছা পরিষ্কার করা হয়নি কতকাল। তিনি তার আপনালয় ভুলে কেন ছিলেন পরের কাছে। সফুরা বেগমের মনটা আজ বড়ই পুলকিত। তিনি তার ফেলে আসা আপনালয়ে আবার থাকবেন। এটাই যে তার স্বামীর শেষ স্মৃতি তার নিজস্ব ঠিকানা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত