প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

মিথ্যাচারে বিএনপি আর কতো হাস্যকর হবে!

ড. বদরুল হাসান কচি : সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ঘুরে এলেন জাতিসংঘ থেকে। মিডিয়ার মাধ্যমে সবাইকে জানানো হলো, নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। অথচ তাদের সফরের সময়কাল জাতিসংঘ মহাসচিব ভিন্ন কর্মসূচিতে অবস্থান করছিলেন আফ্রিকান দেশ ঘানায়! বিএনপির এমন আচরণে কৌতুহল বেড়েছে রাজনীতি সচেতন সকলের। পাঠক-দর্শকের কৌতুহল কাজে লাগাতে চেয়েছে দেশীয় গণমাধ্যমগুলো। অবশেষে মিডিয়ার কল্যাণে জনগণ জেনেছে- বিএনপিকে কোনো আমন্ত্রণ জানাননি জাতিসংঘ মহাসচিব। বরং বিএনপির অনুরোধে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আলোচনা করেছেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব মিরোস্লাভ জেনকা। এ কথা জানিয়েছেন তার অফিসের স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন অফিসার জোয়স লুইস ডায়াজ।

বিএনপির কাছ থেকে এমন মিথ্যাচারের গল্প আমরা অতীতেও দেখেছি। ২০১৪ সালে ভারতীয় সরকারি দল ক্ষমতা গ্রহণের পর, বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহর ফোন করার দাবিটিও অসত্য প্রমাণিত হয়েছিল। তখন দাবি করা হয়েছিল, বিজেপি নেতা অমিত শাহ নিজে খালেদা জিয়াকে ফোন করে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু পরে প্রমাণ হয়েছে অমিত শাহ সহযোগিতার আশাস দূরে থাক, তার সাথে কোন ফোনালাপই হয়নি।

তাছাড়া আরও একটি ঘটনার মাধ্যমে বিএনপি হাস্যকর হয়েছিলেন দেশ ও বিদেশে। যুক্তরাষ্ট্রের ৬ জন কংগ্রেস ম্যান খালেদা জিয়ার পক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন। পরে প্রমাণ হয়েছে তারেক রহমানের নির্দেশে তারই এক ঘনিষ্ঠজন কংগ্রেসম্যানদের সাক্ষর জালিয়াতি করে এই গুজব রটিয়েছে।

এখানে স্পষ্ট সুরে বলতে হবে, বিএনপির মতো বড় একটি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য কাঙ্খিত নয়। এমন আচরণে রাজনৈতিক দল হিসেবে কেবল বিএনপি হাস্যকর হয় তা নয়, দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিম-লে খাটো হয়। শুধু তাই নয়,  দেশের জনগণ সম্পর্কে নোংরা ধারণা তৈরি হওয়াও স্বাভাবিক।

লেখক : কলামিস্ট, আইনজীবী ও সদস্য, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটি, আওয়ামী লীগ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত