প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লোহাগড়ায় ওবায়দুল কাদের
মঞ্চে বসে নেতারা ঘুমাচ্ছিলেন, এরা কী আন্দোলন করবে?

আদম মালেক : শেখ হাসিনার বিরোধীরা ঢাকায় বসে ষড়যন্ত্র করছেন। নানা ইস্যুতে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা জাতীয় ঐক্য, জাতীয় ফ্রন্টের কাঁধে ভর করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিএনপি-জামায়াত নিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘একদল, বিশদল, ত্রিশদল করেও এখনও তারা কোনও জনসভা করতে পারেনি। কারণ, তাদের পাশে মানুষ নেই। করতে পারেনি কোনও আন্দোলনও। দিন যায়, মাস যায় আন্দোলনের দেখা নেই। আবার ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যের নেতারা মঞ্চে বসে ঘুমাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে মঞ্চে নেতারা সবাই বসে ঘুমাচ্ছিলেন। এরা কী আন্দোলন করবেন?

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে আবারও দেশে অন্ধকার নেমে আসবে। তাই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় শেখ হাসিনা যা ওয়াদা করেন তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করেন। এ কারণে পুনরায় নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান আনারও আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় লোহাগড়া উপজেলার মেহেরুন্নেসা স্কুল মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কওমি মাদরাসা সনদের স্বীকৃতি দেয়ায় তারা খুশি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এখন দেশের আলেম ওলামাদের শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে প্রতিদান দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এর আগে কর্ণফুলীতে প্রথম সমাবেশে জাতীয় ঐক্যে প্রক্রিয়ার নেতাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যুক্তফ্রন্ট ঐক্য প্রক্রিয়ায় যেখানেই মিটিং করতে চায় সেখানেই মিটিং করবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন যে, যেখানে সমাবেশ করতে চায় সেখানেই করুক।

কিন্তু তারা বড় জায়গায় যান না। তারা পল্টনে ঢুকে যায়, নাট্যমঞ্চে ঢুকে যায়। বড় জায়গায় গেলে লোক সমাগম হবে না এই ভয়ে তারা যায় না। তারা বড় জায়গায় সমাবেশ করে না। তাদের হ্যাডম নেই সেখানে সভা করার। ৩০ দল মিলে মিটিং করেছে, এখন আমাদের পথসভার বাইরে যত লোক দাঁড়িয়ে আছে সেখানে তত লোকও ছিল না।

যুক্তফ্রন্টের জাতীয় ঐক্যের ডাকের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটি বিদেশি সংস্থা জরিপ চালিয়েছে। জরিপে বলা হয়েছে, দেশে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ৬৬ শতাংশ। এই ৬৬ শতাংশ বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য হতে পারে না। যুক্তফ্রন্ট যে ঐক্যের ডাক দিয়েছে, সেটি জাতীয় ঐক্য নয়, জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য।’

চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ জাফর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাসান মাহবুব, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল হক আমিন, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতারা।

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের উন্নয়নের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজার পৌঁছান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত