প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

জাতীয় ঐক্যে ষড়যন্ত্রের গন্ধ, এই ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না আ.লীগ

জিয়াউদ্দিন রাজু : জোট গঠনের রাজনীতিকে ইতিবাচক হিসাবে নিলেও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার শুরুতেই ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।সমাবেশে বিএনপি নেতাদের উপস্থিতি ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি বিষয়টি উঠে আশায় প্রশ্ন তুলছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। তারা মনে করছেন, আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এই জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐক্য সমাবেশের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতারা এসব কথা বলেন।

এবিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে, কর্ণেল (অব), ফারুক খান বলেন, জোট গঠন প্রক্রিয়াকে ইতিবাচকভাবেই দেখে আসছিল আওয়ামী লীগ। তবে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশে বিএনপির নেতাদের উপস্থিতি ও তাদের দাবি পর্যালোচনায় ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যায়।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাধক মাহবুবউল আলম হানিফ জানান, বিএনপি জনসমর্থন না থাকায় বহু চেষ্টা করেও দাবি উত্থাপন বা আন্দোলনও কোনটাই করতে পারেনি।এমনকি বিদেশিদের কাছে ধর্না দিয়েও সফল হয়নি। সর্বশেষ তারা একটি জোট করেছে। কিন্তু এই দলে কারা? জনবিচ্ছিন্ন এবং জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাতদের সাথে জোট করে কোনো ফায়দা হবে না।

আগামী নির্বাচনে আগে এই ঐক্য আওয়ামী লীগের জন্য চ্যালেঞ্জ কিনা? জানতে চাইলে হানিফ জানান, নতুন এই জোট তাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন না।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি একটি দেউলিয়া দল, আরেক দেউলিয়া ড. কামালের নিজেদের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা বাঁচতে চায়। দেউলিয়াদের ঐক্য জাতীয় ঐক্য হতে পারে না।এটি মূলত ষড়যন্ত্রের ঐক্য। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক মহলে লুটের টাকা দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। কোনো ষড়যন্ত্র ফলপ্রসূ হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেবে, ইনশাল্লাহ।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ভোটের রাজনীতির ক্ষেত্রে এই ঐক্য কোনো প্রভাব পড়বে না। এগুলা ব্যক্তি সর্বস্ব দল। এটি কোনো জাতীয় ঐক্য হয় নি। ড. কামাল ও মাহমুদুর রহমান মান্না এরা আগে সব সময় জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, কিন্তু জাতীয় ঐক্যের সমাবেশে এসে তারা জামায়াত জঙ্গি গোষ্ঠির পক্ষ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশ থেকে ওঠা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ। তফসিল ঘোষণার পূর্বে বর্তমান সংসদ ভেঙে দেয়া।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত