প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কালশি বস্তিতে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ২

সুজন কৈরী : রাজধানীর মিরপুরের কালশি বস্তিতে মাদকবিরোধী সাড়াশি অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) নেতৃত্বে পুলিশ, ডিবি, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি), আনসার ও এপিবিএনের সদস্যরা।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে এ যৌথ অভিযান শুরু হয়। যার শেষ হয় সন্ধায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম শিকদার। পুলিশ, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ২৫০ সদস্য অভিযানে অংশ নেন। তবে অভিযানে নারীসহ মাত্র দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন- পারভীন ও রাজু। তাদের কাছ থেকে ৩শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএনসি বলছে, সাড়াশি অভিযান শুরুর পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছে। তবে তাদের গ্রেফতারে ডিএনসি বদ্ধপরিকর। কালশী বস্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করে কেউ ছাড় না পাওয়ার ম্যাসেজ দেয়া হয়েছে। ডিএনসি আরো বলছে, কালশী বস্তিসহ রাজধানীর অন্যান্য স্থানে গত ৪দিন ধরে ডিএনসির নেতৃত্বে পুলিশ ও এপিবিএনের সদস্যদের নিয়ে যৌথ অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে তালিকাভুক্তসহ অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছে। ফলে গ্রেফতারের সংখ্যা কম। তবে ডিএনসি চেষ্টা চলাচ্ছে। কোনোভাবেই মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড়া দেয়া হবে না।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রো উপ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (দক্ষিণ) সামসুল আলম বলেন, মাদক বিরোধী ক্র্যাস প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কালশির বিহারী বস্তিসহ বিস্তৃর্ণ এলাকায় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খল বাহিনীর সহযোগীতায় ডগ স্কোয়াড নিয়ে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু মাদক ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে বা পালিয়ে যাওয়ায় আটকের সংখ্যা কম। তবে আমরা মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি করেছি। পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করে পার পাওয়া যাবেনা বলেও একটি ম্যাসেজ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অভিযানকালে নারীসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে কিছু পরিমাণ গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে।

ডিএনসির উত্তর বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, দেশব্যাপী ১৫ দিনের মাদকবিরোধী ক্র্যাশ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এই অভিযান চলছে। ডিএনসির তত্ত্বাবধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট সহায়তা করছে। ৩ হাজারেরও বেশি মাদক স্পট এবং ৩ হাজার ১২০ জন মাদক কারবারির তালিকা ধরে দুই পর্যায়ে সাড়াশি অভিযানটি চালানো হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৭দিন চলবে। এরপর আবার দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ৭দিন অভিযান চালানো হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত