প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্রেডিট কার্ডে চড়া সুদ: ২ ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের আবারও তাগাদা

আদম মালেক : ক্রেডিট কার্ডে চড়া সুদ আদায়কারী ব্যাংকগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা আমলে নিচ্ছে না ২ বাণিজ্যিক ব্যাংক। পর পর দু বার চিঠি দিলেও এ ব্যাংক দুটো কোনো উত্তর করেনি। এজন্য ব্যাংকগুলোকে আবারও তাগাদা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো- এক্সিম ব্যাংক ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ সুদহার জানতে চেয়ে চিঠি দিলে প্রাপ্ত উত্তরে দেখা যায়, ১৮টি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ঋণ সুদহার অনেক বেশী ও ২৫টি ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সুদের কোনো তথ্য জানায়নি। উত্তর না দেয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে, অগ্রণী,বেসিক,বিডিবিএল,রুপালী,বিকেবি,আল আরাফা,ফারমার্স,ফার্স্ট সিকিউরিটি,আইসিবি,এনআরবি গ্লোবাল,পূবালী,সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল,সীমান্ত,শাহজালাল,ইউনিয়ন,উত্তরা,আল ফালাহ,সিটি এনএ,হাবিব,এইচএসবিসি,স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,উরি ব্যাংকসহ আর কয়টি ব্যাংক।

চড়া সুদ আদায়কারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে জনতা,ঢাকা, ইস্টার্ন,এক্সিম, মিডল্যান্ড,মধুমতি,মিউচুয়াল ট্রাস্ট,ন্যাশনাল,এনসিসি,এনআরবিসি,প্রাইম,স্ট্যান্ডার্ড,ইউসিবি,কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলোন।

গেল ২৭ জুন ২৫টি ব্যাংক কেন ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কিত সুদের তথ্য দেয়নি এজন্য একটি তাগাদাপত্র পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইদিন ১৮টি ব্যাংক কেন ক্রেডিট কার্ডে চড়া সুদ নেয় সেজন্য আরেকটি তাগাদাপত্র ইস্যু করে। কিন্তু সব ব্যাংক এ পত্রের উত্তর না দেয়ায় গেল ১৪ আগস্ট ব্যাংকগুলোকে আরও ২টি চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ২ বার তাগাদাপত্র পাঠানোর পরও এক্সিম ব্যাংক ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক আজ পর্যন্ত কোনো উত্তর করেনি। এজন্য এ ব্যাংক দুটোকে সম্প্রতি আবারও চিঠি পাঠায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ডের জন্য একটি গাইডলাইন দেয়া হয়। এতে বলা হয় ব্যাংকগুলো যে সেবায় সর্বোচ্চ সুদ বা চার্জ আরোপ করে তার চেয়ে ৫ শতাংশের বেশি মুনাফ বা চার্জ আদায় করা যাবে না ক্রেডিট কার্ডেও ওপর। যেমন, একটি ব্যাংক সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ সুদ আদায় করে ভোক্তা ঋণের ক্ষেত্রে। এ ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ডে সর্বোচ্চ ২৩ (১৮+৫) শতাংশের বেশি সুদ বা চার্জ আদায় করা যাবে না। গত ১ জানুয়ারি থেকে এ নীতিমালা পরিপালনের জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত