প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লামায় পাহাড় কেটে ঝিরি ভরাটের অভিযোগ

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রশাসন যখন পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাচ্ছে, ঠিক তখনিই কতিপয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাহাড় কেটে ঝিরি ভরাটের অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলা সদর ইউনিয়নের নুনারঝিরি এলাকার বাসিন্দা আসক আলী ও তার মেয়ে জরিনা খাতুনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেন স্থানীয়রা। ফলে যে কোন মুহুর্তে পাহাড়ের ওপরের অংশ ধসে বসতঘরে পড়ে জান মালের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আবার পাহাড়ের মাটি ঝিরিতে ফেলার কারণে নাব্যতা হ্রাসসহ পানির স্বাভাবিক গতির ব্যঘাত ঘটছে। এতে করে পাহাড়ি ঝিরির তীরবর্তী ফসলি জমি ভেঙ্গে বিলিন হচ্ছে। স্থানীয়রা পাহাড় কাটা বন্ধে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, লামা সদর ইউনিয়নের নুনারঝিরি এলাকার আসকক আলী ও তার মেয়ে জরিনা খাতুন বসতঘর ঘেষে অবস্থিত পাহাড় কেটে মাটি পাশের ঝিরিতে ফেলছে। কর্তৃনকৃত পাহাড়ের কোল ঘেষে দুইটি মাটির তৈরি বসতঘরও রয়েছে। একটু ভারী বর্ষণেই পাহাড়ের ওপরের অংশ ধসে পড়ে বসতঘর বিধ্বস্তসহ প্রাণহানি ঘটতে পারে। এছাড়া কর্তনকৃত পাহাড়ের মাটি পড়ে ভরাট হয়ে নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে পাদদেশ দিয়ে বয়ে চলা পাহাড়ি ঝিরির। পাশাপাশি পরিবর্তন হচ্ছে এ ঝিরির পানি প্রবাহের গতিপথও। এর বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় এখনিই দেখা দিয়েছে ঝিরির তীরবর্তী ফসলি জমির ভাঙ্গন ও জলাবদ্ধতা। সেই সঙ্গে উজাড় হচ্ছে পাহাড় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বৃক্ষ।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরো জানায়, আসক আলী, তার মেয়েকে পাহাড় কেটে ঝিরিতে না ফেলার জন্য নিষেধ করলেও কোন কথা আমলে না নিয়ে পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছেন তারা। এর আগেও আসক আলী একই পাহাড়ের পূর্বপাশের একটি অংশ কেটে বসতঘর নির্মাণ করেছেন। সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসক আলী ও জরিনা খাতুন বলেন, পাহাড় কাটছিনা। বৃষ্টির পানি চলাচলের জন্য পাহাড়ের কিছু অংশ ছেঁটে ঘরের পাশে একটি নালা তৈরি করছি মাত্র।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত