প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিনহার মতো জাতীয় ঐক্যের স্বপ্নও ভেঙ্গে যাবে: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

আহমেদ জাফর : দেউলিয়াদের সাথে জাতীয় ঐক্য হতে পারে না।এটি মূলত ষড়যন্ত্রের ঐক্য। সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার মতো জাতীয় ঐক্যের স্বপ্নও ভেঙ্গে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সাগর-রুনি মিলানয়তনে স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ‘গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও শেখ হাসিনা’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন এ আওয়ামী লীগ নেতা।

বিচারপতি সিনহাকে উদ্দেশ করে খালেদ চৌধুরী বলেন, ‘তোমার স্বপ্ন তো ভেঙ্গে গেছেই। বহু আগে খালেদা-তারেকের স্বপ্নও ভেঙ্গেছে। এভাবে জাতীয় ঐক্যের ষড়যন্ত্রের স্বপ্নও ভেঙ্গে যাবে। এটা বেশি দূরে নয়। আগামী নির্বাচনে মধ্যে ষড়যন্ত্রকারীদের সকল স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়ে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নের বাস্তবায়ন হবে।’

তিনি বলেন, বিএনপির দেউলিয়া হয়ে গেছে তাই আরেক দেউলিয়া ড. কামালের কাছে আত্মসমর্পণ করছে বিএনপি। সুপ্রীম কোটের বিচারপতিরা বলেছিলেন সিনহা সাহেবের অধীনে আমরা বেঞ্চে অংশ নেব না।তিনি তিন বছর বিচারপতি ছিলেন কিন্তু কোন কথা বলেন নাই সে সময়। কিন্তু এতদিন পরেই যখন এখানে রাজনীতির ষড়যন্ত্র মঞ্চস্থ করা হচ্ছে তখন তিনি বিদেশ থেকে বই লিখেছেন।

তিনি বলেন, ‘গতকালে মহানগর নাট্যমঞ্চে রাজনীতির একটা তামাশা মঞ্চস্থ করা হয়েছে।আমরা অনেক আগেই বলেছিলাম বিএনপির মতো একটি দেউলিয়া দল আরেক দেউলিয়া ড. কামালের কাছে আত্মসমর্পণ করে বাঁচতে চায়।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মহলে লুটের টাকা দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। কোনো ষড়যন্ত্র ফলপ্রসূ হবে না। আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের নেতৃত্বে বহু আগ থেকেই জনগণের জাতীয় ঐক্য হয়েছে, সেটি এখনও আছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেবে বলেও জানান তিনি।

খালিদ বলেন, ‘৯০’র গণঅভ্যুর্থানের পরে আমাদের তিনদলের রূপরেখা ছিল, আটদল, সাতদলের রূপরেখা ছিল, সেই রূপরেখার আলোকে দেশ চলার কথা ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নির্বাচনে সাতদলীয় জোট সরকার গঠন করে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। শপথ নেয়ার পরপরই তিনি তিনদলের রূপরেখার এবং ছাত্র সমাজের দশ দফার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি কালো তালিকাভুক্ত এমকে আনোয়ার, কেরামত আলীকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন।

বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার বন্ধের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান, সেই মামলার বিচার কে করেছে? বর্তমান সরকার দেশের প্রচলিত আইনেই তাদের বিচার করেছে এবং কার্যকর করেছে।যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার মতো চ্যালেঞ্জ নিয়ে তা দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে।’

খালিদ চৌধুরী বলেন,’গণতন্ত্রের চর্চার নাম কি আরেকজনকে গ্রেনেড মেরে হত্যা, মানুষ খুন করার নাম কি গণতন্ত্র? এখনতো দেশে এ অবস্থা নাই। দেশে টক-শোর নামে সরকারের বিপক্ষে বিষোদগার করা হচ্ছে, সরকার তো টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধ করছে না।গণতন্ত্রের নামে ভোট বাক্স পুড়িয়ে দিবেন, মানুষ মারবেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হত্যা করবেন তখন তো সরকারের কিছু দায়িত্ব থাকে।’

রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের যুগ্ম-আহ্বাক অসীত বরণ রায়, ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় উপ-কমিটির সদস্য আনোয়ারুল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত