প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

কোটা বহাল রাখার দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের মানবন্ধন

রিয়াজ হোসেন : প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিসহ সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নামে একটি সংগঠন।শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, সরকারি চাকরিতে কোটা বিষয়ে সাম্প্রতিক সুপারিশ বাতিল ও ৯ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান তারা। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন করার আহবানও জানান তারা।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা চেয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা যাতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে না পারে। তারা যাতে সারাজীবন পিয়ন,দারোয়ান ও সুইপারের মতো চাকরি করে।তার জন্য প্রশাসনের মধ্য একটি মহল চক্রান্ত করছে। অথচ যারা জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করেছে, সেই বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নাগরিক হয়ে থাকতে পারে না।

বক্তারা বলেন, ৭৫ সালে জাতির পিতা হত্যার পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০১ সালের পর মুক্তিযোদ্ধা কোটা আবারো ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের পর ২৯ বছর কোটায় কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের চাকুরি হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং পরবর্তী ২৯ বছর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিস্পেষিত হয়েছে। কোটা সংস্কার বা বাতিল করার আগে এই ২৯ বছরের হিসাব দিতে হবে। এ ছাড়া এই ৩০% কোটা তাদের আত্মমর্যাদা ও সম্মানের সাথে জড়িত। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানের দিকে তাকিয়ে হলেও এই কোটা বহাল রাখা জরুরি।

সচিব কমিটির এই সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশাসন গড়ে তোলার সম্পূর্ণ পরিপন্থি দাবি করে তারা বলেন, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত যাতে আগামী মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয় না হয় তার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। এসময় বক্তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চলমান নিয়োগ অব্যাহত রাখাসহ প্রিলিমিনারী থেকে কোটা শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

সমাবেশ থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় এবং জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্বারকলিপি দেয়ার কর্মস‚চি পালনের জন্যে আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের প্রতি আহবান জানান।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত