প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ কৃষি ব্যাংক

আদম মালেক : কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংককে কৃষকের বন্ধু বলা হয়। অথচ এ ব্যাংক দুটিও কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই আগস্টে এ ব্যাংক দুটি ৫শ ৮০ কোটি ২ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করে যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেক। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণ সম্পর্কিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬শ ৮০ কোটি টাকা। সে হিসেবে জুলাই আগস্ট দু মাসে ঋণ বিতরণের কথা ১১শ ১৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বেশী। অথচ ব্যাংক দুটি বিতরণ করেছে ৫শ ৮০ কোটি ২ লাখ টাকা। কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫শ ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা কম।

কৃষি ব্যাংকের এ বছর বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৫হাজার কোটি টাকা। ২ মাসে বিতরণ হওয়ার ছিল ৮ শ ৩৩ কোটির বেশী অথচ ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৪ শ ৪৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা এ বছর ১৬শ ৮০ কোটি টাকা। ২ মাসে বিতরণের কথা ২ শ ৮০ কোটি টাকা। কিন্তু ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ১ শ ৪৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১শ ৩৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা কম।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের মাঝে এখনও শিক্ষার হার কম। তারা সরাসরি ব্যাংক ম্যাজোরের কাছে যেতে সাহস পায় না। তাছাড়া ব্যাংক ম্যানেজার অনেক সময় জমির কাগজপত্র বুঝেন না। তখন তাদের দালালের দ্বারস্থ হতে হয়ে। এতে কৃষকরা হয়রানির মধ্যে পড়েন। অনেক কৃষক এই হয়রানির ভয়ে কৃষিঋণ গ্রহণের উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। আবার জামানত বিহীন ২ লাখ টাকা ঋণ বিতরণের নিয়ম থাকলেও কৃষকরা এ ঋণ পান না। অনেকে ঋণ নিয়ে ফেরৎ দেন না। তাই চাকরি হারানোর ভয়ে ব্যাংক ম্যানেজাররাও এ ধরনের ঋণ বিতরণের ঝুঁকি নেন না।

সূত্র আরও জানায়,কৃষি ব্যাংক যে শুধু কৃষিঋণ নিয়ে কাজ করে না, এর বাইরেও অনেক কাজ করে। যেমন- বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, বিদ্যুৎ বিল গ্রহণের কাজও করতে হয়। এসব সেবা দিতে ব্যস্ত থাকায় কৃষি ব্যাংকের মূল কাজটাই বাধাগ্রস্থ হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত