প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে

তরিকুল ইসলাম : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সাথে করা দ্বিপক্ষী চুক্তির অগ্রগতির পাশাপাশি এ ইস্যুতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কোনো ভাবেই দেশটির আশ্বাসে আস্থারাখা ঠিক হবেনা। এ জন্য বাংলাদেশকে আরো সতর্ক থাকাতে হবে।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্স (বিআইপি) কনফারেন্স হলে
‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী: বিদ্যমান অবস্থা ও পরিকল্পনা ভাবনা’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় এসবনটাই মতদেন বিশেষজ্ঞরা।

একই সঙ্গে তারা বলছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাইরে সামরিক প্রস্তুতিও রাখতে হবে। মিয়ানমার নয়ত খুব সহজেই রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত নেবে না। রোহিঙ্গা সংকট তৈরির পর জাতিসংঘসহ বহির্বিশ্ব প্রথমে সঠিক দায়িত্ব পালন করেনি। তারা কেবল মিয়ানমারের প্রতি নিন্দা জানানো ও এবং বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানানোর মাধ্যমে তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক, সাবেক সেনাপ্রধান ও সেক্টর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন অর রশীদ বলেন, যতো দ্রুত সম্ভব নিরাপত্তার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের মানসম্মত প্রত্যাবাসন দরকার। তা না হলে তারা নিজেদের কাজ করার স্পৃহা ও ক্ষমতা হারাবে। জাতিসংঘের মাধ্যমে রাখাইনে শান্তিরক্ষী বাহিনী নিয়োগ করে একটি বাফার জোন তৈরি করতে
হবে। যেনো রোহিঙ্গারা প্রত্যাবাসনে আগ্রহী হয়ে উঠে।

এ ইস্যুতে বাংলাদেশ সঠিক পথেই রয়েছে জানিয়ে ওয়ার্ল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গারা যে মিয়ানমারের নাগরিক, তারা যে বাঙালি নয়, বিশ্বব্যাপী এটা প্রচারে মনোযোগ দিতে হবে। যুদ্ধ বা সামরিক উদ্যোগে এটা সমাধানের সুযোগ নেই।

অধ্যাপক ড. তাসনিম শাকুর ও সাংবাদিক ফোজিত শেখ বাবুর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার গ্যাস্ট্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খান প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত