প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পে ১ম স্থানে পদ্মাসেতু, ২য় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

স্বপ্না চক্রবর্তী : সরকারের ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পের আওতায় ১ ম স্থানে থেকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে পদ্মাসেতুর কাজ। একই প্রকল্পের আওতায় ২য় স্থানে রয়েছে রূপপূর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই দুইটি প্রকল্পসহ অন্যান্য প্রকল্পগুলোরও কাজও এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) গত আগস্ট মাস পর্যন্ত এসব প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত পদ্মা সেতু তৈরির কাজের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৫৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ে মূল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এ বছরের শুরু থেকে আগস্ট পর্যন্তই ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ২ শ ৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। জানা যায়, রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত দুটি চুক্তির আওতায় এ প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। প্রকল্পের আওতায় ১২ শ মেগাওয়াটের ২টি ইউনিটের মাধ্যমে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে।

প্রকল্পের মূল কাজ প্রথম রিয়্যাক্টর স্থাপন শুরু হয়েছে অনেক আগেই। দ্বিতীয় রিয়্যাক্টর স্থাপনের কাজও চলছে বলে জানিয়েছেন ইআরডির সিনিয়র সচিব কাজী শফিকুর আযম। তিনি বলেন, পদ্মাসেতুসহ রূপ পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অন্যান্য প্রকল্পগুলো সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রধিকারপ্রাপ্ত।

অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মেট্রোরেল, পদ্মাসেতুতে রেল সংযোগ, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং দোহাজারী-রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু-মিয়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়ালগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পগুলো দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বাস্তবায়নের পথে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে মেট্রোরেলের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ২৩ দশমিক ২২ শতাংশ, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ১০ দশমিক ৯৯ শতাংশ আর আর্থিক অগ্রগতি ১৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সার্বিক অগ্রগতি ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ১৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ, পদ্মাসেতুতে রেলসংযোগের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ২৩ দশমিক ১৫ শতাংশ, এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পটি বিল্ড ওন অপারেট এন্ড ট্রান্সফার (বিওওটি) পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত