প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সবজির দাম বাড়লেও মাংসের দাম অপরিবতির্ত রয়েছে

এস এম এ কালাম: গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে সবজির দাম বাড়লেও অপরিবতির্ত রয়েছে মাংসের বাজার। দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ীরা বলছেন বন্যার কারণে অনেক ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকায় সবজির বাজার কিছুটা চড়া। বিশেষ করে শিম, টমেটো, শসা, গাজরসহ বেশ কিছু সবজির দাম কেজি প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর মিরপুরের কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও তালতলা কলোনী বাজারঘুরে এবং ক্রেতা বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজারঘুরে দেখা গেছে গত সপ্তাহের তুলনায় শিম বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০টাকা কেজি। যা চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। শসা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা যা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। গাজর কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, টমেটো ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা করে।

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ক্রেতারা বলছেন, শুক্রবার আসলেই সবজিসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে যায়। এটি ব্যবসায়ীদের কারসাজি মাত্র।

এ ব্যাপারে নাসরিন বেগম নামে একজন ক্রেতা আমাদের সময়. কমকে বলেন, গতকালও সবজির দাম বাড়লো না আজ কী এমন হলো যে হঠাৎ করে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে গেল। তিনি বলেন, এটি সবসময় তারা বাড়তি সুবিধা নিতে শুক্রবার আসলেই পণ্যের দাম বাড়ায়।

এদিকে শেওড়াপাড়ায় এক সবজি বিক্রিতা দেলোয়ার জানান, বন্যা কারণে আমদানী কিছুটা কম তাই সবজির দাম কিছুটা বেশি। তবে তিনি বলেন, পাইকারী বাজারে দাম বাড়ায় আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে শুক্রবার বাজারে বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর ছড়া ৪০থকে ৫০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৬০ টাকা ও কাকরোল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া লাউ প্রতিপিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ফুলকপি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুঁইশাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাল শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, কলমি শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা ও ডাটা শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা দওে আঁিট প্রতি বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, মসলার দাম অপরিবতির্ত রয়েছে আদা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।পেঁয়াজ দেশি প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় এবং ইন্ডিয়ানটা ৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। রসুন (দেশি) ৬০ , রসুন (ইন্ডিয়ান) ৮০ টাকা। অপরদিকে লেটুস পাতা প্রতিটি ১৫ টাকা, পুদিনাপাতা ১০০ গ্রাাম ২০ টাকা, ধনেপাতা প্রতি ২৫০ গ্রাম ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে বাজারে মাংসের দাম আগের মতই রয়েছে। গরুর মাংস কেজি প্রতি ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, ছাগলের মাংস ৭৮০টাকা, ব্রয়লার মুরগী ১৪০টাকা এবং লেয়ার মুরগী ২৩০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশ ৯০০ থেকে ১ কেজি ওজনের হালি ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি হালি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে বাগদা চিংড়ি প্রতিকেজি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, গলদা ৬০০ থেকে ৮৫০ টাকা, বাতাশা ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, কাতল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

ভোজ্যতেল লিটারপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০৮ টাকায়, মসুর ডাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি এবং চাল নাজির ৬০ থেকে ৮০ টাকা, মিনিকেট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, মিনিকেট (সিরাজ) ৫৬ থেকে ৬০ টাকা, আটাস ৫০ টাকা, এলসি ৪২ টাকা, মোটা ৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত