প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

হাকিমপুরে উপমহাদেশের বৃহৎ পূজামন্ডপ

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট : উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ মন্দির হিসাবে খ্যাত বাগেরহাটের হাকিমপুরের শিকদার বাড়ীর দূর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ শেষের পথে। চলছে রং তুলি আর নানা রংয়ের সাজ সজ্জার কাজ। সারা দেশে সাড়া জাগানো এই মন্দিরে এবার ৭০১টি প্রতিমা তৈরি চলছে। স্বারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হবে অন্যান্য বছরের তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে ভিন্ন রূপে। প্রতি বছরের ন্যায় এই মন্দিরে প্রতিমা আর সাজসজ্জার এটি হবে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ।

জানা গেছে, সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর আর কলি যুগের বিভিন্ন অবতারের কাহিনী নিয়ে এবারও মন্দিরকে সুসজ্জিত করা হচ্ছে। গত বৈশাখ থেকে খুলনার কয়রা উপজেলার হাতিয়াডাঙ্গা গ্রামের বিজয় কৃষ্ণ বাছাড় এর নেতৃত্বে ১৫জন ভাস্কর দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রতিমা তৈরির কাজ করেছেন। অধিকাংশ প্রতিমা রংয়ের কাজ শেষ হলেও মূল প্রতিমা অর্থাৎ মা দুর্গার রংয়ের কাজ এখনো শুরু হয়নি।

চোখ ধাধাঁনো সব প্রতিমা আর রং বেরঙে সজ্জিত করে মন্দিরকে মুখরিত করে তোলা হচ্ছে। প্রতিমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ভাস্কর বিজয় কৃষ্ণ বাছাড় এ প্রতিনিধিকে জানান, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রামায়ণ ও মহাভারতের চারযুগের দেবদেবীর নানা কাহিনী অবলম্বনে হিন্দু ধর্মের হাজার বছরের পুরাতন পৌরাণিক কাহিনীকে প্রাধান্য দিয়ে তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মূর্তি দিয়ে। কলিকাতার সীতারাম এর গীতা প্রেস এর বই হতে সংগৃহীত সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর আর কলি যুগের বিভিন্ন অবতারের লীলা কাহিনী নিয়ে এবারও প্রতিমাগুলো তৈরী করা হয়েছে, যা ভক্তদের মনকে আরো পুলকিত এবং আকৃষ্ট করে তুলবে।

মন্দির কমিটির কয়েকজন সদস্য বলেন, মন্দিরের ভেতরে বিভিন্ন দেবদেবীর ৭০০টি প্রতিমা তৈরি করা হলেও বাইরে অর্থাৎ পুকুর পাড়ে ৪০ হাত লম্বা বিশাল আকৃতির লক্ষী নারায়ণের প্রতিমা তৈরি করা হবে। যেগুলো শুধু মাত্র রং সোলা আর লাইটিং দিয়েই তৈরী করা হচ্ছে। এর সামনে থাকছে আকর্ষণীয় ঝর্ণা ধারা।

শিকদার বাড়ী পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি ডা. দুলাল কৃষ্ণ শিকদার বলেন, ২০১০ সাল হতে তারা এই মন্দিরে স্বারদীয় দুর্গা পূজা শুরু করেন। তার পর হতে ধারাবাহিকভাবে এই অষ্টম বার অন্যান্য বছরের তুলনায় জাকজমকপূর্ণ ভাবে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত