প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

গত ৫ বছরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর প্রায় ২ টন সোনা আটক করেছে

আবু বকর : গত পাঁচ বছরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর দু’টনের মতো সোনা আটক করেছে। আটক সোনার মূল্য প্রায় ৮৬০ কোটি টাকা। এই সময়ে পাচারের সাথে জড়িত দু’শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করলেও বরাবর সোনা চোরাচালানের মূল হোতারা আড়ালেই রয়েছে। মূলত দেশে কোন সোনানীতি না থাকায় এবং সোনা আমদানির ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্ক হার বিদ্যমান থাকায় চোরাই পথে সোনা আসছে। এছাড়াও “ভারতের সোনা আমদানির শুল্কহারও  বেশি হওয়ায়  চোরাকারবারীরা বাংলাদেশকে সোনা পাচারের ট্রানজিট রুট হিসাবে ব্যবহার করছে। সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের জন্যও এই  চোরাচালান হচ্ছে।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, দেশে অবৈধ পথে  সোনা আমদানি  ঠেকাতে সব ধরনের প্রটেকশন নিয়েছে শুল্ক  গোয়েন্দা। যার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে  সোনা  চোরাচালানি কিছুটা কমেছে। ফলে এ বছর সোনা জব্দের পরিমাণ অনেক কমেছে। তিনি বলেন, “বিদেশে স্বর্ণের দাম কম থাকায়  চোরাচালান বৃদ্ধি পাচ্ছে, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঁচারে মনিটরিং জোরদার হওয়ায় ব্ল্যাকমানি স্বর্ণ চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।” মহাপরিচালক জানান, প্রতিবছর প্রায় এক টনের মতো সোনা চোরাই পথে দেশে প্রবেশ করে। চোরাই সোনার সামান্য অংশ ধরা পড়ে।

গত ৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় চালান ও বেশি সোনা জব্দ হয় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে। এ অর্থবছরে ৫৬৫ দশমিক ৭১ কেজি সোনা জব্দ করে শুল্ক  গোয়েন্দারা। আটক করা এসব  সোনার মূল্য প্রায় ২৫৫  কোটি ৮২ লাখ টাকা। সোনা চোরাচালানির অভিযোগে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় ৫৫ জনকে।

২০১৪-১৫ অর্থবছরেও চোরাকারবারীদের সোনা চোরাচালানি অব্যাহত থাকে। এ অর্থবছরে ৩৬৪ কেজি সোনা জব্দ হয়। জব্দকৃত এসব সোনার মূল্য প্রায় ১৮১ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এ বছর শুল্ক গোয়েন্দার হাতে আটক হন ৫০ জন চোরাকারবারী।

টানা দু’বছর ধরপাকড়ের ও বিমানবন্দরগুলোতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার কারণে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এসে  দেশে  সোনা চোরাচালানির পরিমাণ কিছুটা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে কমতে থাকে জব্দ সোনার পরিমান। এ অর্থবছরে অবৈধভাবে আনা ১২১ দশমিক ৬৮১ কেজি সোনা জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। জব্দ এসব  সোনার দাম প্রায় ৫৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬২৩ দশমিক ৭০৮ কেজি সোনা জব্দ করে শুল্ক  গোয়েন্দা। এসব সোনার মূল্য ২৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এ সময়ের মধ্যে  চোরালানির সঙ্গে জড়িত ১৮ জনকে আটক করা হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে  ১৬০ দশমিক ৩০ কেজি সোনা জব্দ করে শুল্ক  গোয়েন্দা। সম্পাদনা: আজাদুল ইসলাম আদনান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত