প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

adv 468x65

ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ঐক্যবদ্ধ
আগামী নির্বাচনে দল দেখে ভোট দিবে না

বিশ্বজিৎ দত্ত : বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্দিষ্ট দল বা জোটকে ভোট দেবে না। তারা প্রার্থী দেখে ভোট দেবে। পছন্দের প্রার্থী পাওয়া না গেলে ভোট বর্জন করবে বলে জানিয়েছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই লক্ষ্য নিয়ে সারা দেশের  ধর্মীয় সংখ্যালঘু সংগঠনগুলো এক মহাসমাবেশের আয়োজন করেছে। সেখানেই আগামী নির্বাচনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ভোটের অবস্থান কোনদিকে যাবে তা স্পষ্ট করা হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ ছাড়াও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ২০টি দল এই মহাসমাবেশে জোগদান করবে। এ বিষয়ে রানা দাশগুপ্ত বলেন, এতদিন ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনদিন কোন প্রার্থী বা দলকে ভোট দেয়নি। আমরা এখন ঠেকে শিখেছি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস ছাড়া কোন অর্জন সম্ভব নয়। তাই ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নির্যাতনকারী বা জমি দখলকারী কোন প্রার্থীকে ভোট দেবেনা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর লোক রয়েছে মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ। নির্বাচনি আসনের দিক থেকে ১৫ থেকে ৩৩ শতাংশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে এমন আসন সংখ্যা ৬০টি। আর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ভোট রয়েছে এমন আসন রয়েছে ১২০টি।  রানা দাশগুপ্ত মহাসমাবেশের বিষয়ে বলেন, আমরা ৫টি দাবি অনেক আগেই দিয়েছি। প্রথম দাবিটিই হলো, রাজনৈতিক দলগুলো যদি কোন সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীর অতীতে বা বর্তমানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জমি দখল করেছে বা অন্য কোনভাবে নির্যাতন করেছে তাদের আমরা ভোট দেব না।

আমরা দাবি করেছি, নির্বাচন অঙ্গিকারনামায় প্রার্থীদের বলতে হবে তারা ক্ষমতায় গেলে সংখ্যালঘুদের  নির্যাতন করবে না। নির্বাচনের কাজে মসজিদ মন্দির ব্যবহার করা যাবে না। কোন ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশনে আইন করতে হবে এ ধরনের বক্তব্যে প্রার্থীতা বাতিল করে প্রার্থর ১ বছর জেলের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্বাচনে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রত্যেক দলে বা জোটে সংখ্যালগুদের প্রার্থী করতে হবে। সংখ্যালঘু মন্ত্রলালয়, অর্পিত সম্পতি আইন বাতিলের বাস্তবায়ন, পার্বত ভূমি কমিশন গঠন ও পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। সম্পাদনা : সিদ্ধার্থ দে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত