প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুই মাসেও ধরা পড়েনি টেকনাফে রোহিঙ্গাসহ জোড়া হত্যা মামলার আসামিরা 

ফরহাদ আমিন, টেকনাফঃ টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউপিস্থ লেদা রোহিঙ্গা বস্তি এলাকার পার্শ্ববর্তী পাহাড়িছড়া থেকে শামসুল হুদার গলা কাটা ও রহিম উল্লাহর গলায় ফাঁস লাগানো ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর শামসুল হুদার মা নয়ন সোনা বাদী হয়ে শাহ আজমকে প্রধান আসামি করে ১২জনকে এজাহার নামীয় আসামি করে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।
তবে ঘটনার দুই মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত কোনো আসামিরা এখনো ধরা পড়েননি। তাঁদের কেউ কেউ প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ বাদীর।
উল্লেখ্য যে, গত ১৩ জুলাই শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হ্নীলার লেদা রোহিঙ্গা বস্তি সংলগ্ন পাহাড়ি ছড়া থেকে লেদা গ্রামের বাসিন্দা শামসুল হুদা ও রোহিঙ্গা নাগরিক রহিম উল্লাহ লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ হত্যার মামলার পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে ইয়াবা ব্যবসা ও এলাকার প্রভাব বিস্তার। স্থানীয় দুইজন ইউপির সদস্যদের পূর্ব শক্রতার জের ধরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মামলায় ১২জনের নাম উল্লেখ আছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত কোনো আসামি আটক  হয়নি।
বাদী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মূল অভিযুক্ত শাহ আজম, মো. হারুন ও জোহুর আলমদের কাউকেই আটক করেনি পুলিশ। শাহ আজমকে প্রকাশ্যে লেদা ও রঙ্গিখালী বাজারে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন, এঁরা সবাই স্থানীয়ভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত  বলে পুলিশ আটক করছে না। তবে তারা সকলেই ইয়াবা ব্যবসায়ী র্শীষ গডফাদার।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি তদন্ত ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম আতিক উল্লাহ দাবি করেন, অভিযুক্তদের আটক করতে পুলিশ একাধিকবার অভিযান করেছে। তবে আসামিদের বাড়িঘরে গেলেও তালাবদ্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কোনো লোকজন না পাওয়াই কাউকে আটক করা যাচ্ছে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ