প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভোলায় নদী ভাঙন রোধে চলছে ৫৫১ কোটি টাকার কাজ

ফয়সল বিন ইসলাম নয়ন, ভোলাঃ ভোলার দৌলতখান ও বোরহান উদ্দিন (ভোলা-২ আসন) উপজেলায় প্রমত্ত মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে ৫৫১ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন র্বোডের বাস্তবায়নে ফোল্ডার ৫৬/৫৭ রক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে ভাঙনকবলিত এ দুটি উপজেলার প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার নদীর তীর এলাকা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ব্লক ও জিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে ২০১৬ সালের নভেম্বরে শুরু হওয়া কাজ ২০১৯ সালরে জুনরে মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
ইতোমধ্যে প্রকল্পরে ৫১ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ছে। ফলে চলতি র্বষা মৌসুমে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবন থেকে রক্ষা পয়েছে। এ ছাড়া এ দুটি উপজেলার নদী নিয়ন্ত্রণে আরো ১১ শ কোটি টাকার ২টি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তখনই অবহেলিত এলাকায় উন্নয়ন হয়। নদী ভাঙন ছিল এ এলাকার মানুষের প্রধান সমস্যা। কিন্তু র্বতমান সরকারের সময়ে সে সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছে মানুষ। এখন নদী শাসনের কাজ এগিয়ে চলায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কেটে গিয়ে নিরাপত্তা বিরাজ করছে।

এমপি মুকুল আরো বলেন, দৌলতখান উপজেলার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে রাধা বল্লব চৌকিঘাট পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকার নদী ভাঙন রক্ষায় প্রায় ৩ শ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপক্ষোয় রয়েছে।

পানি উন্নয়ন র্বোড সূত্র জানায়, ভোলা-২ আসন নিয়ে গঠিত দৌলতখান ও বোরহানউদ্দনি উপজেলার নদীর তীর রক্ষায় মোট ৫০ লাখ ২৬ হাজার ৯৩২টি সিসি ব্লক এবং ১৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬৭২টি জিও ব্যাগ স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে ২৭ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭৬টি ব্লক এবং ৫ লাখ ৫২ হাজার ২৬৩টি জিও ব্যাগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সকল জিও ব্যাগ নদীর তীরে স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। ব্লক স্থাপনও চলছে। দৌলতখান উপজেলার মাছ বাজার এলাকা থেকে উন্নয়ন কাজ শুরু হয়ে ভবানীপুর, সৈয়দপুর, মাইনকা, বাটামারা এলাকা হয়ে বোরহান উদ্দিনের পক্ষিয়া ইউনিয়নের র্পযন্ত মেঘনা পাড়ের ঝুঁকিপূর্ন এলাকায় কাজ হবে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এখানকার ফসলি জমি, বাড়িঘর, বিভিন্ন স্থাপনাসহ ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে।

পানি উন্নয়ন র্বোডের নির্বাহী প্রকোশলী বাবুল আক্তার বলেন, এ প্রকল্পের মোট ২২টি প্যাকেজের মধ্যে সবগুলোর কাজ চলমান রয়েছে। সাধারণত জিও ব্যাগ স্থাপনের পরই তীরে ব্লক স্থাপন করা হয়। গত র্অথবছরে কাজরে ৪৬ ভাগ সম্পন্ন করার টার্গেট থাকলেও তা ৫১ ভাগ হয়েছে। তাই র্নিধারিত সময়ের আগেই এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

বাবুল আক্তার বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে এখানে প্রায় ২ হাজার মানুষের র্কমসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া নদীর তীর সংরক্ষণ সম্পন্ন হওয়ায় ভাবানীপুর, সয়ৈদপুর, পক্ষীয়া ও মাইনকা এলাকার লক্ষাধকি মানুষ চলতি র্বষায় এর সুফল ভোগ করছনে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ