প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি মূলধন হারালো ডিএসই

ফয়সাল মেহেদী : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কৌশলগত অংশীদার হিসাবে চীনের কনসোর্টিয়াম যোগ দেয়ায় দেশের শেয়ারবাজার চাঙা হবে এমন আশা ছিল বাজার সংশ্লিষ্টদের।চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে চীনের সাংহাই ও শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ ৯৬২ কোটি টাকায় ডিএসইর ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা পায়। তবে চীনের জোট আসার পরেও খুব একটা গতি আসেনি শেয়াবাজারে। উল্টো চলতি মাসের প্রথমার্ধে শেয়ারবাজারের অধিকাংশ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিট দর কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে মূল্যসূচক ও বাজার মূলধন।

ডিএসই সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ৩ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৯ কার্যদিবসে ৩ হাজার ৭০৭ কোটি ৭ লাখ ৮২ হাজার টাকার বাজার মূলধন হারিয়েছে ডিএসই। এ সময়ে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৯০ পয়েন্ট কমেছে। তবে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা।

ডিএসইর সাবেক সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, চীনা জোটের কাছে শেয়ার হস্তান্তর করা হলেও প্রাপ্ত অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরু হয় নি। সেই অর্থ বিনিয়োগ শুরু হলে শেয়ারবাজারের গতি বাড়বে। শেয়ারের দর কমলে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয় বলেও জানান তিনি।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম কার্যদিবসে অর্থাৎ ৩ সেপ্টেম্বর ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৩৭ কোটি ৮০ লাখ ৩৭ হাজার টাকা যা ১৩ সেপ্টেম্বর দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩০ কোটি ৭২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায়।

এদিকে প্রথমার্ধের সর্বশেষ কার্যদিবসে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স দাঁড়িয়েছে ৫৫০০.৬২ পয়েন্টে যা মাসের প্রথম কার্যদিবসে ছিল ৫৫৯০.৪২ পয়েন্টে। সেই হিসাবে ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৮৯.৮০ পয়েন্টে বা ১.৬০ শতাংশ। অন্যসূচকগুলোর মধ্যে এই ৯ কার্যদিবসে শরিয়াহ্ সূচক ডিএসইএস ৩ পয়েন্ট এবং ব্লু-চিপ খ্যাত ডিএস-৩০ সূচক প্রায় ৪০ পয়েন্ট কমেছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ৩ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৭০৭ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। যা ৩৫৬ কোটি ৯৫ লাখ ৩৩ হাজার টাকা বেড়ে ১৩ সেপ্টেম্বর দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪ কোটি ৮৪ লাখ ৯২ হাজার টাকায়। শতকরা হিসাবে ৯ কার্যদিবসে লেনদেন বৃদ্ধির হার ৫০ শতাংশের বেশি। এই সময়ে ডিএসইতে মোট ৭ হাজার ৫৬০ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে এবং গড়ে লেনদেন হয়েছে ৮৪০ কোটি ২ লাখ ১৩ হাজার টাকা। আলোচ্য সময়ে সংখ্যায় শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন বেড়েছে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৮৭ হাজার ৭০০টি। এছাড়া শেয়ার ও ইউনিটগুলোর হাতবদল ৪১ হাজার ৩০৪ বার বেশি হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত