প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফসল খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য
কৃষি পণ্যের রপ্তানী আয় ৬৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

মতিনুজ্জামান মিটু : বর্তমান সরকারের আমলে বিগত নয় বছরে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতাসহ ফসল খাতে এসেছে অভূতপূর্ব সাফল্য। অগ্নিকণ্যা খ্যাত কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও যোগ্য নেতৃত্বে ধরা দেয় কৃষি ক্ষেত্রের এই ঈর্ষণীয় সাফল্য। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কৃষিপণ্যের রপ্তানী থেকে দেশে আয় করেছে ৬৭৩.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসময় ৭৭.৯৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন সবজি, ২৩৪ মেট্রিক টন ফল এবং ৬৭.৬৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন সুগন্ধি চাল রপ্তানী হয়। সাফল্যের ধারায় দেশের জিডিপিতে কৃষির অবদান বেড়ে হয় ১৪.১০ ভাগ। ফসলের ক্রমবর্ধমান উৎপাদনশীলতায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪০৭.১৪ লাখ মেট্রিক টন দানাদার শস্য উৎপাদন হয়। দেশ হয় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং অগ্নিকন্যার সুনিপুণ নেতৃত্বে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশের কৃষি এক অনন্য উচ্চতায় উঠেছে। যা অনেক ক্ষেত্রে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কৃষিবিদরা জানান, এক ও দুই ফসলি জমি অঞ্চল বিশেষে প্রায় চার ফসলি জমিতে পরিণত করা ও ফসলের নিবিড়তা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এসময় ফসল খাতে অন্তত ৪১ দফা সাফল্য ধরা দিয়েছে। কৃষির বাজেটও বেড়েছে এই সময়ে।

২০০৮-০৯ অর্থবছরের কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭৯২৪.৫৭ কোটি টাকার সংশোধিত বাজেট ৩০ ভাগে বেড়ে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে হয়েছে ১০৩০৩.৮৪ কোটি টাকা। বর্তমানে ধানের উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ। লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা সহনশীল ও জিঙ্কসমৃদ্ধসহ এ যাবত ধানের ১০৮টি উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা। নিবিড় চাষের মাধ্যমে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি ৫৯ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন সবজি উৎপাদন করে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। আলু উৎপাদনে হয়েছে অষ্টম। কৃষি মন্ত্রীর দৃঢ়তায় বিটি বেগুনের চারটি জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ হয়েছে এই সময়ে। জীবন রহস্য আবিষ্কার হয়েছে দেশের সোনালী আঁশ বলে খ্যাত দেশি ও তোষা পাটের।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত