প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিয়ে মেনে না নেয়ায় বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন
‘টাকা হাতানোর উদ্দেশ্যেই এ বিয়ে’

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : বিয়ে মেনে না নেয়ায় বাবার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে তার বিচার চেয়েছেন এক তরুণী। সদ্য বিবাহিত স্বামীকে প্রাণে মেরে ফেলাসহ নানা হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বুধবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সস্মেলনে সুরেশ তেলের স্বত্বাধীকারি সুধীর সাহার মেয়ে লিমা সাহা এসব অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, আমি মাস্টার্স পাশ করা একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক নারী। কলেজে অধ্যয়নকালে সৈকত পাল নামের এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে লিমার বাবা সুধীর সাহা এতে বাধ সাধেন। এছাড়া প্রেমিক সৈকত পালকে প্রাণে মেরে ফেলার নানা ষড়যন্ত্র করতে থাকেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ২ বছর ধরে অন্ধকার ঘরে আটকে রাখা হয় লিমাকে। বাড়িতে কোন আত্মীয় স্বজন আসলেও তাদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হতো না।

লিমা সাহা বলেন, গত ২৩ মে তাকে নারায়ণগঞ্জ নেয়ার কথা বলে জোর করে শাহজালাল আন্তার্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে কলকাতায় পাঠানো হয়। সেখানকার পুলিশের সহায়তায় লিমা পরদিন দেশে ফিরে সৈকতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওইসময় বিমান বন্দরে তার বাবা তাকে নিতে গেলে পেছন থেকে পালিয়ে যান লিমা।পরে সৈকতের সঙ্গে যোগাযোগ করে মন্দিরে সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী হিন্দু রেজিষ্টারে স্বাক্ষর করে তাদের বিয়ে হয়। পরে বিয়ে মেনে নেয়ার আশ্বাসে স্বামীর কাছ থেকে তাকে নারায়নগঞ্জ পাঠানো হয়। পরে মানসিক রোগী প্রমাণ করতে গত ২৭ মে মধ্যরাতে তাকে একটি রিহ্যাব সেন্টারে জোর করে ভর্তি করা হয়।গত ২৫ জুলাই ওই রিহ্যাব সেন্টার থেকে বের করে তাকে ১৭ দিন উইমেন সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়। পরে গত ১৩ আগষ্ট আদালত তার জাবনবন্দি দিলে আদালত তার ইচ্ছায় স্বামীর জিম্মায় দেন। সেখানে থাকাবস্থায়ও তাকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন লিমা।

এ বিষয়ে লিমার বাবা সুধীর সাহা বলেন, তার মেয়েকে অপহরণ করে বিয়ে করেছে সৈকত পাল। লিমাকে মাদকে আসক্ত করে তার টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেই এ কাজ করা হয়েছে। তার মেয়ে মানসিক রোগী। তাকে সুস্থ্য করতে ৮ লাখ টাকা খরচ করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ