প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বায়তুল মাল’ আত্মসাতের অভিযোগে, বিভক্ত হচ্ছে জামায়াত !

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দু’ভাগে বিভক্ত হচ্ছে। সাবেক শিবির নেতাদের একাংশ বর্তমানে দলটির হাল ধরলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে বাকিরা ঢুকতে চাচ্ছে। পাশাপাশি দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে তারা। এছাড়া বিএনপি জোটেও থাকতে চায়না সাবেক শিবিরের এই অংশটি। এদিকে দলের আর্থিক তহবিল ‘বায়তুল মাল’ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

শিবির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে দলের আমীরসহ শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি কার্যকরের পরপরই জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের একটি অংশ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকরে সরকারকে সাধুবাধ জানায়। এ নিয়ে দলে বিভক্তি দেখা দেয়। বেশিরভাগ নেতাকর্মী জেলে থাকাবস্থায় দলের পক্ষ থেকে তাদের দেখভালের ব্যবস্থা না করা, পরিবারের খোঁজ খবর না নেওয়াসহ নানা কারণে ক্ষোভ ছিল একটি অংশের। এরা জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে নতুন করে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা চালায়। সর্বশেষ দলের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ গ্রেফতারের পর বিভক্তির চিত্র অনেকটাই প্রকাশ্যেসে চলে আসে।তবে দায়িত্বে থাকা নেতারা বিভক্তির বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন।

এর আগে শিবিরের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের শিবিরের একটি অংশকে নিয়ে নতুন করে কমিটি করতে চেয়েছিলেন। ওইসময় দলের আমীর গোলাম আযম বিষয়টি মিমাংসা করলেও এর জের এখনো রয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতের নানা আন্দোলন সংগ্রামে গ্রেফতার, আহত ও নিহতদের স্বজনরা এই বিভক্তির পেছরে রয়েছে বলে সূত্র জানায়।

অপরদিকে দলের গঠনতান্ত্রিক বিধি ভেঙে বিপুল অঙ্কের টাকা আর্থিক তহবিল ‘বায়তুল মাল’ লোপাট করা হয়েছে বলে ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্তে প্রমাণ মিলেছে। দুর্নীতির এ ঘটনায় জামায়াতের তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে নেতাকর্মীরা। তারা বলছেন, কেন্দ্র থেকে পাড়া-মহল্লার ক্ষুদ্র নেতাকর্মীদের কষ্টার্জিত জমানো টাকা লোপাট দলের আদর্শ পরিপন্থি। সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের একের পর এক মুক্তি এবং বিদেশ সফরের নেপথ্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘সমঝোতা’র যে গুঞ্জন শোনা যায়, তাতেই বায়তুল মালে হাত পড়েছে কি না, সে আলোচনাই এখন জামায়াতের টপ টু বটম।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ