প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আজ ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হবে আরাফাতের ময়দান

ওমর শাহ: কা’বা প্রান্তরে সারা পৃথিবী থেকে প্রায় ২০ লাক হজযাত্রী সমবেত হয়েছেন। ১৯ আগস্ট মিনায় অবস্থানের মাঝ দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়ে হজের মূল বিধান পালন করবেন হাজীরা। আরাফাতের ময়দানে রাত যাপনের পর কাল ফজর পর মুজদালিফায় রওনা করবেন।

হজযাত্রীদের উদ্দেশ্যে এবার হজের খুৎবা দিবেন মসজিদে নববির সিনিয়র ইমাম ও খতিব, মদিনা সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি শায়খ ড. হুসাইন আলে শায়খ। আরাফাতের ময়দানে যোহরের ওয়াক্তে এক আযান ও দুই একামতে দুই রাকাত করে যোহর ও আসর একসঙ্গে আদায় করা হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। এই নামাযের পরই ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানের মসজিদে নামিরার মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুতবা দেন হজের খতিব।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ শায়খ হুসাইনকে এ বছর আরাফার খতিব নিয়োগ করে রাজকীয় ডিক্রি জারি করেন। নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্র প্রধান বা তার নিযুক্ত প্রতিনিধিই কেবল এ খুতবা দিতে পারেন।

ইসলামের ইতিহাসে মহানবী (সা.) সর্বপ্রথম অষ্টম হিজরিতে মক্কা বিজয়ের পর হজের আমির নিযুক্ত করেন স্থানীয় সাহাবি হযরত আত্তাব বিন উসাইদ উমাওয়িকে (রা.)। পরের বছর নবম হিজরি মদিনা থেকে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে পাঠান হযরত আবু বকর (রা.) কে। দশম হিজরিতে বিদায় হজে আরাফার ময়দানে নিজের কসওয়া নামক উটের পিঠে বসে সর্বপ্রথম আরাফার খুতবা দেন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তার পর থেকে প্রতি বছর মুসলিম খলিফা বা তার প্রতিনিধি এ খুতবা দিয়ে আসছেন।

আলে সউদ শাসনামলে বাদশাহর প্রতিনিধি হিসেবে ১৩৪৪ হিজরি থেকে ১৩৭৬ হিজরি পর্যন্ত খুতবা প্রদান করেন শায়খ আবদুল্লাহ বিন হাসান বিন হুসাইন আলে শায়খ, ১৩৭৭ থেকে ১৪০১ হিজরি পর্যন্ত শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ বিন হাসান আলে শায়খ, ১৩৯৯ হিজরি শায়খ সালেহ বিন মুহাম্মদ আল লাহিদান, ১৪০২ থেকে ১৪৩৬ হিজরি পর্যন্ত শায়খ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আলে শায়খ, ১৪৩৭ হিজরিতে শায়খ ড. আবদুর রহমান সুদাইস ও ১৪৩৮ হিজরিতে শায়খ ড. সাদ বিন নাসের শাছারি। খবর: আরব নিউজ। সম্পাদনা: আবদুল হাকিম