প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আইসিসির তদন্ত প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার

নূর মাজিদ: আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালতের (আইসিসি) পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও বল:পূর্বক উচ্ছেদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার তদন্ত ও বিচারের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে মিয়ানমার। বৃহস্পতিবার দেশটি জানায়, এটি একটি ‘নির্বোধ প্রস্তাব এবং অবশ্য পরিত্যাজ্য।’

ইতোপূর্বে, আইসিসি’র বিচারকেরা রোহিঙ্গা গনহত্যা ও উচ্ছেদের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে ২৭শে জুলাই পর্যন্ত দেশটিকে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। এর প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার মিয়ানমার সরকারের বিশেষ উপদেষ্টা অং সান সূচির দপ্তর এমন মন্তব্য করে। এসময় তারা কেন আইসিসি’র অধীনে বিচারকার্য পরিচালনা করা উচিৎ নয়, তার বেশ কিছু কারণ ব্যাখ্যা করেছে। সূচির দপ্তর জানায়, এই সমস্ত কারণেই মিয়ানমার আইসিসি’র প্রস্তাবে সাড়া দেবেনা।

দপ্তরটির আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, রোম ঘোষণার অনুকূলে গঠিত আইসিসিভূক্ত দেশ নয় মিয়ানমার। তারা আইসিসি সনদে স্বাক্ষরকারী দেশও নয়। এমতাবস্থায় মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে তদন্ত এবং বিচারকার্য পরিচালনার কোন অধিকার সংস্থাটির নেই।

এই বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের আরো পরিষ্কার অবস্থান জানার জন্য তাদের সঙ্গে বার্তা সংস্থা রয়টার্স যোগাযোগের চেষ্টা চলিয়ে ব্যর্থ হয়।

এদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পর্ষদের এক ঘোষণায় ইতোপূর্বে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মাবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের জন্য কোন দেশকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য দেশ হতে হবে। সদস্য দেশগুলোর বাহিরে এমন অপরাধের বিচার পরিচালনার অধিকার নেই আইসিসি’র।

তবে এই বিষয়ে, বাংলাদেশের ব্যাখ্যা ও অবস্থান জানতে চেয়েছেন আইসিসি বিচারক ফাতো বেনসৌদা। বিশেষ করে, মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক অসংখ্য রোহিংগাকে বাংলাদেশে আসরয় নিতে বাধ্য করায় তিনি এই বিষয়ে বাংলাদেশের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন। বাংলাদেশ রোম সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে আইসিসি’র ন্যায্য বিচার পাবার অধিকার রাখে।

তবে সূচির দপ্তর আরো জানায়, আইসিসি’র এমন তদন্তে সাড়া দেবার কোন যথাযথ বাধ্যবাধকতা নেই মিয়ানমারের। তারা মনে করে, আইসিসি’র পক্ষ থেকে এমন ধরণের তদন্তের চেষ্টা ভবিষ্যতে অন্যান্য অরাস্ট্রিয় শক্তিগুলোর বিচারকে বাধাগ্রস্থ করবে। রয়টার্স/ এবিএস-সিবিএন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ