প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনপ্রিয় হওয়াতেই শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? : জয়

জিয়াউদ্দন রাজু : শহিদুল আলমকে গ্রেফতারের জন্য সরকারের সমালোচনা হচ্ছে আর দেশ বিদেশ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন তার মুক্তিও চাইছেন। আর এই দাবির জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী পুত্র ও সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

তিনি লেখেন, শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমি সহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে? প্রশ্ন রাখেন জয়।

শুক্রবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ প্রশ্ন রাখেন তিনি।

সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেন, ‘ধরুন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম, আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের কর্মীদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং সেই কথার প্রেক্ষিতেই আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আক্রমণ করতো, তাহলে কি বলা যেত আমি সহিংসতা উস্কে দিয়েছি? নাকি আমি বাকস্বাধীনতার অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত থাকতাম?’

ধরুন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের…

Posted by Sajeeb Wazed on Friday, August 10, 2018

তিনি আরো লিখেন, আমার কোনো সন্দেহ নেই আজ যেই সুশীল সমাজ, বিদেশি বন্ধুরা ও সাংবাদিকরা শহিদুল আলমের পক্ষে কথা বলছেন, তারা তখন ঠিকই বলতেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সহিংসতা উসকে দিয়েছেন। শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমিসহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের ঊর্ধ্বে?

আমি যে উদাহরণ দিয়েছি, শহিদুল আলম ঠিক তাই করেছেন। তার দেয়া মিথ্যা পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও পার্টি অফিসে হামলা চালায়। একাধিক পুলিশ সদস্য ও আমাদের কর্মীরা আহত হন। আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আমাদের এক কর্মী তার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন। বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?’

এ ছাড়া রাত ৮টার দিকে একই বিষয় নিয়ে তিনি টুইটারেও টুইট (বার্তা দেওয়া) করেছেন। সেখানেও তিনি উল্লেখ করেছেন, শহিদুল আলমের দেওয়া মিথ্যা পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং পুলিশের ওপর ও আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালায়। এ ঘটনায় আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আওয়ামী লীগের এক কর্মী চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। টুইটে বাপ্পির জন্য ন্যায়বিচারের কথাও বলেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

উল্লেখ্য গত ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছাত্রদের হত্যা ও ধর্ষণের গুজব ছড়িয়ে চালানো হামলায় বাপ্পি চোখে আঘাত পান। তিনি এখন চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি। তার চোখ নিয়ে শঙ্কিত চিকিৎসকরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ