প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকার বিএনপির আতঙ্কে ভুগছে : ফখরুল

শিমুল মাহমুদ: ক্ষমতাসীন সরকার জনবিচ্ছিন হয়ে বিএনপির আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যেই আমরা সমর্থন জানিয়েছি। এটা অপরাধ হলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মকর্তারা পর্যন্ত একই অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার কথা।

শুক্রবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারি দলের সিদ্ধান্তেই ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের ছত্রছায়ায় হেলমেট ও মুখোশ পরে অগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি, রামদা নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উপর অমানবিক ও বর্বোরোচিত হামলা চালিয়েছে। যা দেশ ও বিশ্ববাসী দেখেছে।

তিনি বলেন, সরকার প্রথম দিন থেকেই এই আন্দোলনে ষড়যন্ত্র ও উসকানি আবিস্কারের অপচেষ্টা চালাতে শুরু করে। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে জনগণের সব ন্যায্য আন্দোলনেই এই সরকার একই কাজ করেছে এবং এই সুযোগে বিরোধী দলের ও মতের নেতাকর্মীদের ও আন্দোলনে সক্রিয়দের বিরুদ্ধে হায়েনার মত আক্রমন চালিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, হেলমেট পরা ও মুখোশধারী আক্রমনকারীরা ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মী ছিল। এটা আহত সব সাংবাদিক এবং ছাত্র-ছাত্রীরা বলার পরেও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাদের বিচার করার জন্য নাম চান! একটা নোংরা রসিকতা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, পত্রিকায় আক্রমনকারীদের অনেকেরই ছবি ছাপা হয়েছে, কোনো কোনো ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, অনলাইন পত্রিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমনকারীদের ছবির ছড়াছড়ি থাকার পরেও অপরাধীদের গ্রেফতারের জন্য ওবায়দুল কাদের সাহেব কেনো ছবি ও নাম চান ? কেনো তথ্যমন্ত্রীকে সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি পাঠাতে হয়? ।

পরিবহন আইনের যে সংশোধনী অনুমোদন করেছে তা ইতোমধ্যেই পরিবহন মালিক সমিতি ছাড়া সবাই প্রত্যাখ্যান করেছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, সংশোধিত এই আইনে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবিকৃত নিরাপদ সড়ক অর্জিত হবে না। কারণ এই আইনে সড়ক পরিবহন খাতে মানুষ হত্যা ও অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়ানোর স্পষ্ট দিক নির্দেশনা কিম্বা কঠোর শাস্তির বিধান নেই। দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে হত্যাকান্ড বলা হবে কি না এটা নির্ধারণের দায়িত্ব নিরপেক্ষ যোগ্য, সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা হয়নি। এ ব্যাপারে হাইকোর্টের মতামতেরও গুরুত্ব দেয়া হয়নি। আমরা এই আন্দোলন এবং দীর্ঘদিন ধরে যারা নিরাপদ সড়কের জন্য কাজ করছেন তাদের সাথে অর্থবহ আলোচনা করে প্রস্তাবিত আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনীর দাবি জানাচ্ছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ