প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমরা কি পারি না সংঘবদ্ধভাবে কারাবন্দী বীর ২২ ছাত্রের পাশে দাঁড়াতে?

মেজর অব আখতার: আমরা কি পারি না সংঘবদ্ধ ভাবে কারাবন্দী এই বীর ২২ ছাত্রের পাশে দাঁড়াতে? আমিতো মনে করি এবং অবশ্যই পারি এই কারাবন্দী ছাত্রদের মুক্তির জন্য আবারো রাস্তায় নামতে। প্রয়োজন আমাদের সাহস এবং প্রত্যয় বা কমিটমেন্ট। আমরা সবাই একবাক্যে বলেছি ছাত্রদের দাবি ছিল যৌক্তিক। সরকারও বলেছে এবং এও বলেছে সরকার ছাত্রদের সকল দাবি মেনে নিয়েছে। সারা জাতি দেখেছে সরকার ছাত্রদের সঙ্গে প্রতারণা করে ছাত্রদেরকে আন্দোলন ছেড়ে চলে যাওয়ার ফাঁদে ফেলেছিল। ছাত্ররা সরকারের সেই ফাঁদে পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। জনগণও ছাত্রদেরকে আন্দোলন চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছে। সরকার উপায়ন্তর না দেখে অযাচিতভাবে পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের মনগড়া পদৌন্নতি দিয়ে পুলিশকে আন্দোলনরত ছাত্রদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়। তখন পুলিশ হায়েনার মত নিরীহ ছাত্রদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডের নামে অকথ্য অত্যাচার চালায়। সবাই জানে রিমান্ড মানে পুলিশের অত্যাচার এবং টাকা কামাই। আজকে দেশের পুলিশ, গোয়েন্দা, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীসহ সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনীতে প্রচুর দেশপ্রেমিক, সৎ ও নিবেদিত কর্মকর্তা ও সদস্য আছেন যাদের কতিপয় পুলিশের এহেন অত্যাচারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা নেয়া সময়ের প্রয়োজন বলে জনগণ মনে করে।

সরকারের অত্যাচার থেকে ছাত্রদের রক্ষা করা এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই সরকার ছাত্রদের উপর অত্যাচার করে নিজেকে জুলুমবাজ অত্যাচারী সরকার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জনগণ মনে করে ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার এই সরকারের নেই। তাই আজকে সচেতন জনগণের কাছে আমাদের আবেদন এই অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন এবং নিরিহ নিরপরাধ ছাত্রদের মুক্তির দাবীতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে আসুন। এই কারাবন্দী ছাত্রদের মুক্ত করে আনা এখন আমাদের সবার দায়িত্ব।

ছাত্রদের মুক্তি আন্দোলনের দাবিতে আগামীকাল শনিবার সকাল ১১ টায় আমরা কি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমবেত হতে পারি না ?

পরিচিত: সাবেক সংসদ সদস্য।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ