প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পারভেজ মোশাররফের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার প্রধান আইনজীবির পদত্যাগ

ইমরুল শাহেদ : পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক পারভেজ মোশাররফের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার প্রধান আইনজীবি পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি কেন্দ্রে সরকার পরিবর্তন হওয়ার কারণে মামলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন, নতুন সরকার মামলাটির জন্য তাদের পছন্দ মতো আইনজীবিও নিয়োগ করতে পারে।
২০১৩ সালে পিএমএল-এন ক্ষমতায় আসার পর নওয়াজ শরীফের সরকার পারভেজ মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা পরিচালনার জন্য প্রধান আইনজীবি হিসেবে মোহাম্মদ আকরাম শেখকে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
সোমবার স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে নিজের অপারগতার কথা জানিয়ে পাঠানো পদত্যাগপত্রে শেখ উল্লেখ করেন, কেন্দ্রে আসন্ন সরকার পরিবর্তনের কারণে তিনি মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না। শুরুর দিকে শেখের প্রধান আইনজীবি হিসেবে নিয়োগ নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন মোশাররফের আইনজীবিরা। কিন্তু বিশেষ আদালত এবং ইসলামাবাদ হাই কোর্ট সব আপত্তি বাতিল করে দেয়।
বিশেষ আদালত ২০১৪ সালের মার্চ মাসে মোশাররফকে অভিযুক্ত করে। প্রোসিকিউশন একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করে। কিন্তু ইসলামাবাদ হাই কোর্টের স্থগিতাদেশের কারণে বিশেষ আদালত খুব বেশি দূর এগুতে পারেনি। এরপর উচ্চাদালত তার নাম বহির্গমন তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর তিনি বিদেশ চলে যান।
বিশেষ আদালত তাকে ‘ঘোষিত অপরাধী’ ঘোষণা করেছে এবং তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছে। তবে এই নিয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবেন না।
বিশেষ আদালত এই বছরের শুরুতেই তার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি শুরু করেছে এবং পারভেজ মোশাররফের কম্পিউটারাইজড জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট ব্লক করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
গত মে মাসে পিএমএল-এন সরকার আদালতের নির্দেশ কার্যকর করে এবং পারভেজ মোশাররফের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট ব্লক করে দেয়।
প্রধান বিচারপতি মিয়া সাকিব নিসার এই সংশ্লিষ্ট মামলাটির শুনানির সময় পারভেজ মোশাররফের দেশে ফিরে আসার সুযোগ এবং তার ভ্রমণের সকল কাগজপত্র আদালতে জমা দিতে বলেন।
শেখ বিশেষ আদালতকে অনেক বার বলেছেন যাতে রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে মামলাটির একটা উপসংহাস টানা হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী ইকবাল ধরের বিরুদ্ধেও তার অনুপস্থিতিতে জবাবদিহিতামূলক আদালতে বিচার কাজ চলছে। যাতে এই রায়কে দৃষ্টান্ত হিসেবে টানা যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত