Skip to main content

রাজনৈতিক দলের কর্মসূচী হলো সুর্দিনিষ্ট জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নীতি বিষয়ক

ফেসবুক পোস্ট: পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বরতম ও বিভ্রান্তিমূলক রাজনৈতিক কর্মসূচী হলো সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর আন্দোলন। এই গুলো বিগত ৭০-৮০ বছর যাবত পশ্চিমারা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে করে এসেছে সামরিক অথবা বেসামরিক কায়দায়। কোন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচী কখনোই কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো হতে পারে না। রাজনৈতিক দলের কর্মসূচী হলো সুর্দিনিষ্ট জনস্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নীতি বিষয়ক। বিরোধী দলের এই কর্মূসূচী ও নীতি জনপ্রিয়তা লাভ করলে রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতাবান হয়ে উঠে, সেই ক্ষমতা যখন শক্তিশালী হয়ে উঠে যা সরকারের ক্ষমতার চাইতে বেশি তখন স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষমতাসিন দলকে বিদায় নিতে হয়।আপনারা এখন বলবেন সরকার পুলিশ দিয়ে টিকে আছে, পৃথিবীর সব সরকারই পুলিশ দিয়ে টিকে থাকে। পুলিশেরা আকাশ থেকে নেমে আসেনা, তারা আমাদের চার পাশের লোক।প্রকৃত জন-প্রতিনিধত্বশীল জনমত তৈরী হলে সরকার পুলিশকেও ব্যবহার করতে পারবেনা। সরকার বিরোধী জনমত আর সরকার বিরোধী প্রতিনিধিত্বশীল জনমত এক নয়। রাজনীতি শেয়ার বাজারের জুয়া খেলা নয়। আমাদের সুশীল আর চুশীল তাই ভাবে। এই জন্য ৭১ এর পর থেকে অসংখ্য হটকারী কার্যক্রম সংঘটিত হয়েছে এই দেশে। এই জন্য বাংলাদেশে কোন রাজনীতি গড়ে উঠেনি। আওয়ামী লীগের বিরোধীতা নয় আওয়ামী লীগের নীতির বিরোধীতা ও সমসাময়ীক জনস্বার্থ নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচী সাজাতে হবে। সরকারের লোকজন দুর্ণীতি করছে এটা একটা সমালোচনার বিষয় হতে পারে কিন্ত জনগনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো কি কি কাঠামো গত পরিবর্তন করলে দেশে দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব? বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর আর কোন দেশে কোন্ একটা দলের বিরুদ্ধে আদর্শ ও নীতিহীন বিরোধীতা হয় কিনা আমার জানা নেই। এই দেশের সবচেয়ে বিপর্যয় মূলক ভোট যুদ্ধের নমুনা হলো, নৌকা ঠেকাও লড়াই!! এই লড়াই শেষ পর্যন্ত আমাদেরকে একটি অশ্বডিম্ব দিয়ে বিদায় করে দেয়।আর আমরা হাওয়ার উপর ভাসতে থাকি। নৌকাকে পিছনদিয়ে টেনে ধরে কাউকে এগিয়ে যাওয়ার সুবিধা করে দেয়া একটি আত্মঘাতি কর্মসূচী। নৌকা থেকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আধুনিক যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারলে আপনি এমনিতেই নৌকা থেকে এগিয়ে যেতে পারবেন।নৌকাকে ঠেকিয়ে আপনি আপনি এগিয়ে গেলে নৌকার গতির চেয়ে আপনার গতিও কম হতে বাধ্য। দেশটার গতিও কমে যেতে বাধ্য। ইতিহাস ঘেটে দেখেন এই দেশে যা কিছু সব নৌকার আমলের। কারণ অন্যরা নৌকাকে অতিক্রম করেনি, নৌকাকে থামিয়ে দিয়েছিল মাত্র। তাই নৌকা ঠেকানোর বা ডুবিয়ে দেয়ার আন্দোলন নয় নৌকার চাইতে উন্নত কিছু করে নৌকা থেকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন, আপনাদের ও ভালো হবে, দেশেরও জন্য ভালো হবে। লেখাটি রুহুল আমিন’র ফেসবুক থেকে নেয়া।

অন্যান্য সংবাদ