প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২০১৭ সালে বিএনপির আয় ৫ কোটি ২৬ হাজার টাকা

সাইদ রিপন : দেশের অন্যতম বৃহৎ দল বিএনপি তাদের ২০১৭ সালে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। এর আগে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর ২০১৭ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে চিঠি দিয়েছিলো ইসি।

মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে ইসির কাছে বিএনপির বাৎসরিক হিসাব দাখিল করে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলটির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। এর আগে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে হিসাব জমা দেন তিনি। এসময় বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূইয়া ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আইন অনযায়ী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের বাৎসরিক আয় ব্যয়ের দিতে হয়। ২০১৭ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় ব্যয়ের হিসাব সচিব বরাবর জমা দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে বিএনপির মোট আয় ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আয় হয়েছে। মোট ব্যয় হয়েছে ৪ কোটি ১৯ লাখ ৪১হাজার ৯৫৪ টাকা। বাকি ৫ কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ টাকা হাতে বা ব্যাংকে রয়েছে।

বিএনপি বার বার বলছে এই নির্বাচন কমিশনারের ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই, তবুও হিসাব দাখিল করছেন কেন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আইন অনুযায়ী করছি। কারণ আইন ফলো করতে হবে। বিএনপি সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সিলেটে দুটি কেন্দ্র বন্ধ নিয়ে সচিবের সঙ্গে কথা হয়নি জানিয়ে খোকন বলেন, আমরা শুধু হিসাব জমা দিতে এসেছি। সিলেটে সুষ্ঠু ভোট হলে আমরা কমপক্ষে আরো দুই লাখ ভোটে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হত বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক দলগুলোর ২০১৭ সালের আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে নিবন্ধিত ৩৯টি দলকে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। সর্বশেষ নিবন্ধন বাতিলের তালিকায় থাকা ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে হিসাব চাওয়া হয়নি। আদালতের আদেশে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল রয়েছে। সংশোধিত গঠনতন্ত্র জমা দিতে ব্যর্থ হয়ে বাতিল হয় ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধনও। ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে প্রতিবছর আর্থিক লেনদেনের হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ