প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিমানে আনা গরু ও দেশে জন্ম নেয়া উট এবার কোরবানি হাটে (ভিডিও)

টিভিএন রিপোর্ট : ২০১০ সালে প্রথম ব্রাহমা জাতের সিমেন (বীজ) দেশের ৮০টি উপজেলায় কৃষকের বাছাইকৃত গরুতে দেয়া হয়। এখন প্রতি বছর কোরবানির ঈদের বাজারে ব্রাহমা গরুর ভালো চাহিদা দেখা যায়। এবার সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিমানে ষাঁড় আমদানি করে চমক সৃষ্টি করেছেন সাদেক এগ্রোর মো. এমরান হোসেইন।
গত মাসে তিনি চারটি ব্রাহমা জাতের ষাঁড় এনেছেন। ব্রাহমা জাতের প্রজনন তার উদ্দেশ্য। শিগগির ব্রাহমা গাভীও আমদানি করবেন। দুটি ব্রাহমা ষাঁড় বিক্রি করা হয়েছে। যার একটি ১৩’শ কেজি ওজন, দাম ২৬ লাখ টাকা, আরেকটি ১১’শ কেজি, ২২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এমরান বলেন, বিদেশি অনেক গরুই আমদের দেশের আবহাওয়ার উপযুক্ত নয়। কিন্তু ব্রাহমা জাতের গরু পালন বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সম্পূর্ণ মানানসই। বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ডের বার্গারের দোকানে বার্গারের গায়ে ব্রাহমা গরুর মাংস উল্লেখ থাকে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে খামারিরা ছুটে আসছেন, জানতে চাচ্ছেন ব্রাহমা জাতের সিমেন তাদের গাভীকে দেয়ার পর তার বাচ্চা কেমন হবে। এমরানের খামারে কোরবানিযোগ্য গরু আছে ১ হাজারেরও বেশি। এছাড়া মহিষ, ছাগল, উট, দুম্বা রয়েছে।
তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে উট আমদানি করে প্রজনন করা হয়। এখন সেই সময়ের বাচ্চা এবার কোরবানি দেয়ার উপযুক্ত হয়েছে। যা এদেশে একটি বিরল ঘটনা। বাংলাদেশে জন্ম নেয়া উট এবার কোরবানির হাটে বিক্রি করা হবে। নয় বছর আগে মাত্র দুটি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন এমরান। প্রথমে দুধের গরু ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে মানুষকে ভালো মাংস খাওয়ার জন্যই খামারের পরিধি বৃদ্ধি করেন।
ব্রাহমা মূলত এই উপমহাদেশেরই জাত। ১৮৬৫ সালে এর শুক্রাণু নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। তবে এখন ভারত বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই ব্রাহমার শুক্রাণু নেয়া হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত