প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ছিটমহলবাসীর দাবি মুজিব-ইন্দিরা নামে একটি পৃথক ইউনিয়ন

হ্যাপী আক্তার : ছিটমহলগুলোতে বন্দি জীবন যাপন করতো মানুষ। বিলুপ্ত ছিটমহলগুলো মূল ভূখন্ডে যুক্ত হওয়ায় বদলেছে বাংলাদেশের মানচিত্র। বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের তিন বছর পুর্তি আজ। ভাগ্য বদলেছে নতুন নাগরিক ছিটমহলবাসীর। মাত্র তিন বছরেই সব সুযোগ সুবিধা মেলায় উচ্ছসিত নতুন বাংলাদেশিরা।ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বলেছেন, এ এলাকার প্রাণের দাবি হলো দাসিয়ারছড়াকে মুজিব-ইন্দিরা নামে একটি পৃথক ইউনিয়ন করা।

ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির আলোকে ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় করে ভারত ও বাংলাদেশ। ৬৮ বছরের বন্দি জীবনের অবসান ঘটে ছিটমহলবাসীর। নাগরিকত্ব মেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহলের প্রায় ৩৭ হাজার মানুষের। ভারতের নাগরিকত্ব পায় ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের ১৪ হাজার মানুষ।

বিলুপ্ত হওয়া ১১১টি ছিটমহলে উন্নয়নে ১৮১ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাও।

দাসিয়ারছড়ায় তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, ২২ কিলোমিটার পাকা সড়ক, ব্রিজ-কালভার্ট, মসজিদ-মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে।  ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ভিজিডি ও ভিজিএফসহ সরকারি সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে পঞ্চগড়েই ১১ হাজার ৯৩২ দশমিক ৮০ একর এলাকাজুড়ে রয়েছে ৩৬টি ছিটমহল। যেখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। ছিটমহল বিনিময়ের মাত্র তিন বছরেই সব ধরণের সরকারি সুযোগ সুবিধা মেলায় খুশি নতুন বাংলাদেশিরা।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছে, ছিটমহলগুলোতে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে তা অব্যাহত থাকবে। সূত্র : ডিবিসি নিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ