Skip to main content

এমন প্রতিক্রিয়ার পর মন্ত্রীকে ক্ষমতায় রাখা উচিত নয়

মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান : শাহজাহান খানের মতো যদি কোন মন্ত্রী থাকে কেবিনেটে, তাহলে সেই মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলার আর কিছু থাকে না বা প্রয়োজন পড়ে না। আমার মনে হয়, প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে এই সমস্ত ডায়বেটিসগুলো উপড়ে ফেলা। এরা হলো স্বার্থপর। এরা রাষ্ট্রকে নানানভাবে জিম্মি করে রাখতে চায়। এরা সারা জীবন রাজনীতি করে আসছে রাষ্ট্রকে জিম্মি করার জন্য। এখনও তারা মনে করে, রাষ্ট্রটা তাদের কাছে জিম্মি। তারা আন্দোলন করে বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠন, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা হিসেবে। মূলত এরা একটা অস্থিতিশীল রাষ্ট্র তৈরি করতে চায়। তার বক্তব্যটা হলো, একটা গাড়িতে দূর্ঘটনা হতে পারে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু সে যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সে প্রতিক্রিয়ার পর একজন মন্ত্রীকে ক্ষমতায় রাখা উচিত নয়। কিন্তু আজকে কে শোনে কার কথা?  জানি না প্রধানমন্ত্রী কেন তার কানে তুলা দিয়েছেন। জানি না উনি নিজে কেন জনগণের সামনে টার্গেটে পরিণত হচ্ছেন? আল্টিমেটলি এগুলোর জন্য কাউকে না কাউকে মূল্য দিতে হবে। এবং সেই মূল্যটা তো অনেক বেশিও হতে পারে। আজকে শিক্ষার্থীরা যে বাস চলাচল অবরোধ করে রেখেছে, এটাতে আমাদের সকলের সমর্থন করা উচিত। কেন শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসলো? কেন তারা আজকে গাড়ি বন্ধ করতে হচ্ছে? সরকার কেন গত কয়েক ঘন্টা ধরে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পারছেন না? এটা কার ব্যর্থতা? পার্টির? সাধারণ সম্পাদকের? সাধারণ সম্পাদক একটা কথা বলছেন না। দেশকে নিরাপত্তায় রাখার দায়িত্ব তার। এখন সময় এসেছে সবার সাহস করে কথা বলার। পরিচিতি : সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক / মতামত গ্রহণ : মো.এনামুল হক এনা / সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ  

অন্যান্য সংবাদ