প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রৌমারী থানার ওসি ‘ইয়াবা খোর’!

ডেস্ক রিপোর্ট :  কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে একজন ইয়াবা খোর হিসেবে উল্লেখ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। ওসি এলাকার চিহ্নিত ক’জন মাদক ব্যবসায়ীকে সঙ্গে নিয়ে থানা ক্যাম্পাসের ভেতর সরকারি বাসভবনে ইয়াবা সেবনের আড্ডা দিয়ে থাকে। এ ছাড়াও উপজেলার কর্তিমারী এলাকার নিদির্ষ্ট একটি বাড়িতে এবং রাজীবপুরের স্লুইস গেট এলাকায় একটা ইটখোলায়ও রাতের বেলায় ইয়াবার আসর বসান। স্থানীয় সংসদ সদস্য রুহুল আমিন ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী এবং উপজেলার ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের দায়ের করা ওই অভিযোগে এ তথ্য জানা গেছে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জানান, ওসি জাহাঙ্গীর আলম অল্পদিনেই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার এলাকায় নজির সৃষ্টি করলেও তিনি যে একজন ইয়াবা খোর-এ তথ্য সারা উপজেলার মানুষ জানে। থানা পুলিশরাই বলে বেড়ায় ‘ওসি একদিন ইয়াবা সেবন না করলে তার শরীর ঝালাপালা করে। নেশা করে সারা রাত আসামি ও মাদক ব্যবসায়ী খুঁজে বেড়ায়। আর দিনের বেলা ঘুমান। দিনের বেলায় সরকারি মোবাইল ফোনে কল দিলে তা রিসিভ হয় না।’

স্থানীয় সংসদ সদস্য রুহুল আমিন বলেন, ‘ওসি জাহাঙ্গীর আলম তার কলেজ জীবনের ক’জন বন্ধু রয়েছে কর্তিমারী এলাকায়। তার বন্ধুদের মধ্যে একজন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী। এই বন্ধু ওসি’র সহযোগীতায় অবাধে মাদক ব্যবসা করছে। কিছুদিন আগে ওই বন্ধুর ৫ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালান আটক করে থানা পুলিশ। পরে যখন জানতে পারে যে ইয়াবার বিশাল চালানটি ওসি’র বন্ধুর তখন পুলিশ তা ছেড়ে দেয়।’

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রৌমারী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি ইয়াবা সেবন করি-এমন তথ্য প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। আমাকে বদলি করার কথা বলে স্থানীয় এমপি রুহুল আমিন মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করেছে তার প্রমাণ আমার হাতে।’-কালের কন্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ