প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কদর বাড়ছে নন আরপিও সংগঠনের

মো.ইউসুফ আলী বাচ্চু : দলের নীতি আদর্শকে লালন করে মূল দল ও এর সহযোগী সংগঠনে স্থান না পাওয়া অনেক নেতাই বিভিন্ন নামে সংগঠন গড়ে তুলছেন। নিয়মিত তারা দলের জাতীয় প্রোগ্রামে ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে এ সংগঠনগুলো ব্যানার নিয়েই হাজির হয়। জাতীয় প্রেস ক্লাব, ডিআরইউসহ বিভিন্ন স্থানে এসব সংগঠনের মানববন্ধন, আলোচনা অনুষ্ঠানে নিয়মিতই আওয়ামী লীগ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশ নিতে দেখা যায়। এতদিন তারা দলীয় সিকৃতি বা কোন সুযোগ-সুবিধা না পেলেও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেছে বাড়ছে তাদের কদর।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচারা ও প্রকাশসনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দলীয় আরপিও ছাড়া যে সংগঠনগুলো রয়েছে তারাও তো দলের কাজ করছে তবে তাদের মধ্যে কিছু সংগঠন আছে অনেক ভাল কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নাই। তারা দলের নিবেদিত প্রান সব প্রোগ্রামে তারা অংশগ্রহন করে। আমি দলের সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনা করেই তাদের অনুষ্ঠানে যাই।

বাংলাদেশ তাঁতী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পলাশ বলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কলেবর অনেক ছোট, দলীয় গ্রুপিং, নেতার অপছন্দ অথবা অন্য কোন কারনে কোন সিনিয়র নেতৃবৃন্দ কমিটিতে যদি জায়গা না পায় তাখন তাদের রাজনৈতিক ধারাকে ঠিক রাখতে ছোট-ছোট সংগঠন গড়ে তোলে। এখানে যেমন নিজেদের পয়সায় সংগঠন পরিচালনা করে তেমনি দলের নীতি আর্দশ বজায় রাখতে চেষ্টা করে এবং এখানে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যাও কম। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদেরকে কাজে লাগাতে চেষ্টা চলছে।

ছাত্রদলের সাবেক একজন সহ-সভাপতি নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি জনপ্রিয় দল, বর্তমানে ক্ষমতার বাইরে থাকলেও আমরা অনেক জনপ্রিয় এবং অনেক নেতা-কর্মী রয়েছে। বিভিন্ন কারনে তারা কোন কমিটিতে জায়গা পাননি। এজন্য নিজেকে দলের কর্ম-কান্ডে সম্পৃক্ত রাখার জন্য এসমস্ত সংগঠন করছে । একজন মানুষও যদি জিয়া আর্দশের কথা বলে কোন সংগঠনের কথা বলে বা সংগঠন করে তাকেও আমরা সাধুবাদ জানাই।

এক প্রশ্নের জবাবে সাবে এ ছাত্রনেতা বলেন, দল ক্ষমতায় গেলে সবাইকে তো সুযোগ দেয়া সম্ভব হয় না তবে যারা এই সময় দলের নিবেদিত প্রান তাদের অবশ্যই দল মুল্যায়ন করবে। গঠনতন্ত্র মোতাবেক আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, তাঁতী লীগ ও যুব মহিলা লীগ দলের সহযোগী এবং ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন।

বিএনপির গঠনতন্ত্র মোতাবেক সহযোগী সংগঠন, যুবদল,কৃষকদল,মুক্তিযোদ্ধাদল, প্রমিকদল,মহিলাদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবকদল, জাসাস,তাঁতীদল, মৎস্যজীবীদল, ওলামাদল।

সহযোগী সংগঠনের বাইরে রয়েছে, জাতীয়তাবাদী তরুণ দল, জাতীয়তাবাদী বন্ধু দল, জিয়া ব্রিগেড, জিয়া মঞ্চ, দেশনেত্রী পরিষদ, তারেক রহমান পরিষদ, তারেক রহমান মুক্তি পরিষদ, জিয়া অনলাইন উইং , তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম,বাংলাদেশ সচেতন ছাত্র ফোরাম, খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ, জিয়া নাগরিক সংসদ, জাতীয়তাবাদী পরিষদ, বাংদেশ জাতীয়তাবাদী সংগ্রমী দল, জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ, জাতীয়তাবাধী সম্মিলিত পরিষদ ইত্যাদি।

আওয়ামী লীগেও রয়েছে শতাধিক সংগঠন, আওয়ামী অভিভাবক লীগ, দর্জি লীগ, চালক লীগ, প্রচার ও প্রকাশনা লীগ, তরুণ লীগ, রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য লীগ, যুব হকার্স লীগ, নৌকার মাঝি শ্রমিক লীগ, ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ, ছিন্নমূল মৎস্যজীবী লীগ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লীগ, পর্যটন লীগ, নাগরিক লীগ, তরিকত লীগ, তৃণমূল লীগ, স্বাধীনতা লীগ, হোটেল শ্রমিক লীগ, হকার্স লীগ, ছিন্নমূল হকার্স লীগ, মোটরচালক লীগ, মোটর শ্রমিক লীগ, সমবায় লীগ ইত্যাদি।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত